প্রতিনিধি, শার্শা (যশোর)

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি রপ্তানি গতিশীল ও বন্দরে জট কমাতে প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে কাস্টমস কার্গো অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এর আগে বেনাপোল কাস্টমসে সকাল ৮টা থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হতো।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, লকডাউন উঠে যাওয়ায় আবারও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে বেনাপোল বন্দরে। ফলে আমদানির পাশাপাশি বেড়েছে প্রচুর পরিমানে পণ্য রপ্তানি। হঠাৎ করে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে ব্যাপক যানজট তৈরি হচ্ছে। যা সরকারের রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে প্রভাব ফেলছে। এই সমস্যা নিরসনে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার বলেন, 'বেনাপোল বন্দরে রপ্তানি পণ্য নিয়ে প্রায় শত শত ট্রাক ভারতে যাওয়ার অপক্ষোয় দাঁড়িয়ে থাকে। ভোর ৬টা থেকে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু হলে পণ্যজট অনেকটা কমে আসবে।'
বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানির চাহিদা বেড়েছে উল্লেখ করে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসছে। তবে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কমাতে ও দ্রুত বাণিজ্য সম্পাদন করতে ভোর ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতীয় কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তাদের নিদিষ্ট সময় থেকে অফিস করার জন্য এরই মধ্যে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি রপ্তানি গতিশীল ও বন্দরে জট কমাতে প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে কাস্টমস কার্গো অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এর আগে বেনাপোল কাস্টমসে সকাল ৮টা থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হতো।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, লকডাউন উঠে যাওয়ায় আবারও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে বেনাপোল বন্দরে। ফলে আমদানির পাশাপাশি বেড়েছে প্রচুর পরিমানে পণ্য রপ্তানি। হঠাৎ করে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে ব্যাপক যানজট তৈরি হচ্ছে। যা সরকারের রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে প্রভাব ফেলছে। এই সমস্যা নিরসনে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার বলেন, 'বেনাপোল বন্দরে রপ্তানি পণ্য নিয়ে প্রায় শত শত ট্রাক ভারতে যাওয়ার অপক্ষোয় দাঁড়িয়ে থাকে। ভোর ৬টা থেকে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু হলে পণ্যজট অনেকটা কমে আসবে।'
বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানির চাহিদা বেড়েছে উল্লেখ করে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসছে। তবে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কমাতে ও দ্রুত বাণিজ্য সম্পাদন করতে ভোর ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতীয় কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তাদের নিদিষ্ট সময় থেকে অফিস করার জন্য এরই মধ্যে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে