গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে বিএনপির নেতা–কর্মীদের গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্রীড়া সম্পাদক শওকত হোসেন দিদার (৪৮) নিহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হামলায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, তাঁর স্ত্রী গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না, তাঁদের সন্তানসহ বিএনপির কমপক্ষে ২০ নেতা–কর্মীকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে আহত করেছে হামলাকারীরা। ভাঙচুর করা হয়েছে ১০টি মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি। এ ছাড়া সময় টিভির ক্যামেরাপারসন এইচ এম মানিককে মারধর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড়ে আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিক উজ জামান বলেন, বেলা ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বেদগ্রামে পথসভা শেষে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা–কর্মীদের গাড়িবহর নিয়ে টুঙ্গিপাড়া জনসভায় যাচ্ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। গাড়িবহরটি ঘোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সশস্ত্র নেতা–কর্মীরা ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র বলেছে, হামলার পর বিএনপির নেতা–কর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার পাশের গাছ থেকে ডালপালা ভেঙে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেয়। কিছুক্ষণ পর আওয়ামী লীগের কর্মী–সমর্থকেরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারও হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে অন্তত ২০ জনকে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুরুতর আহত এস এম জিলানীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্রীড়া সম্পাদক শওকত হোসেন দিদার নিহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরপাথালিয়া এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘোনাপাড়ায় মারামারির ঘটনায় কেউ কেউ বলছে, বিএনপি করেছে। কেউ বলছে, আওয়ামী লীগ করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

গোপালগঞ্জে বিএনপির নেতা–কর্মীদের গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্রীড়া সম্পাদক শওকত হোসেন দিদার (৪৮) নিহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হামলায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, তাঁর স্ত্রী গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না, তাঁদের সন্তানসহ বিএনপির কমপক্ষে ২০ নেতা–কর্মীকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে আহত করেছে হামলাকারীরা। ভাঙচুর করা হয়েছে ১০টি মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি। এ ছাড়া সময় টিভির ক্যামেরাপারসন এইচ এম মানিককে মারধর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড়ে আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিক উজ জামান বলেন, বেলা ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বেদগ্রামে পথসভা শেষে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা–কর্মীদের গাড়িবহর নিয়ে টুঙ্গিপাড়া জনসভায় যাচ্ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। গাড়িবহরটি ঘোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সশস্ত্র নেতা–কর্মীরা ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র বলেছে, হামলার পর বিএনপির নেতা–কর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার পাশের গাছ থেকে ডালপালা ভেঙে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেয়। কিছুক্ষণ পর আওয়ামী লীগের কর্মী–সমর্থকেরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারও হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে অন্তত ২০ জনকে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুরুতর আহত এস এম জিলানীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্রীড়া সম্পাদক শওকত হোসেন দিদার নিহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরপাথালিয়া এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘোনাপাড়ায় মারামারির ঘটনায় কেউ কেউ বলছে, বিএনপি করেছে। কেউ বলছে, আওয়ামী লীগ করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁদের মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতের বিচারক সজীব চৌধুরী তাঁদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা
৬ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
১০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান।
৪১ মিনিট আগে
জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, সম্প্রতি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে এই অগ্নিসংযোগ করে।
১ ঘণ্টা আগে