টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মন্দিরের জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে চিতলমারী উপজেলার খাসেরহাট এলাকা থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল।
আজ সোমবার সকালে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার প্রধান আসামি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম কুমার বিশ্বাস এখনো পলাতক রয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কাকইবুনিয়া গ্রামের বিজন বিশ্বাস (৪৫) ও বীরেন শিকদার (৬০)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সুবল শিকদার কাকুইবুনিয়া সর্বজনীন মন্দিরে জমি দান করেন। জমিদাতা হিসেবে সুবল শিকদার মন্দির কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও মন্দির কমিটির সভাপতি অসীম বিশ্বাস মন্দির কমিটিতে তাঁর নাম রাখেননি।
এ ঘটনায় ২০ জানুয়ারি বেলা ৩টার দিকে টুঙ্গিপাড়া তফসিল অফিসের তহসিলদার সুষেন সেন জমির তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যান। তদন্ত করে ফিরে আসার পরপরই কাকুইবুনিয়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের জমি দাতা সুবল শিকদার ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে সুবল শিকদারসহ ছয়জন আহত হন। আহতদের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সুবল শিকদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২০ জানুয়ারি উপজেলার কাকইবুনিয়া গ্রামে দুর্গা মন্দিরের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষে সুবল শিকদার (৫৫) নিহত হন। গত শুক্রবার নিহতের স্বজনেরা ২০ জনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রোববার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আজ সোমবার আদালতে পাঠানো হয়।
এ ছাড়া বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মন্দিরের জমি নিয়ে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে চিতলমারী উপজেলার খাসেরহাট এলাকা থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল।
আজ সোমবার সকালে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার প্রধান আসামি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম কুমার বিশ্বাস এখনো পলাতক রয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কাকইবুনিয়া গ্রামের বিজন বিশ্বাস (৪৫) ও বীরেন শিকদার (৬০)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সুবল শিকদার কাকুইবুনিয়া সর্বজনীন মন্দিরে জমি দান করেন। জমিদাতা হিসেবে সুবল শিকদার মন্দির কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও মন্দির কমিটির সভাপতি অসীম বিশ্বাস মন্দির কমিটিতে তাঁর নাম রাখেননি।
এ ঘটনায় ২০ জানুয়ারি বেলা ৩টার দিকে টুঙ্গিপাড়া তফসিল অফিসের তহসিলদার সুষেন সেন জমির তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যান। তদন্ত করে ফিরে আসার পরপরই কাকুইবুনিয়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের জমি দাতা সুবল শিকদার ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে সুবল শিকদারসহ ছয়জন আহত হন। আহতদের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সুবল শিকদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২০ জানুয়ারি উপজেলার কাকইবুনিয়া গ্রামে দুর্গা মন্দিরের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষে সুবল শিকদার (৫৫) নিহত হন। গত শুক্রবার নিহতের স্বজনেরা ২০ জনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রোববার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আজ সোমবার আদালতে পাঠানো হয়।
এ ছাড়া বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে