গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

মোবাইলে গেমস খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে কবির সরদার (৩৮) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কবির সরদারের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি গ্রামে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।
সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে কয়েকজন যুবক মোবাইল ফোনে ফ্রি ফায়ার গেমস খেলছিলেন। সেখানে ছিলেন স্থানীয় জাহিদ শেখের ছেলে হাসান শেখ ও লোকমান সরদারের ছেলে টিটু সরদারসহ আরও কয়েকজন যুবক। খেলা চলাকালীন একপর্যায়ে টিটু সরদার ও হাসান শেখের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির শুরু হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আরোজ আলী বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
এর প্রায় কিছুক্ষণ পরে ওই ঘটনার জের ধরে প্রাইমারি স্কুলের সামনে হাসান শেখের সমর্থক জাহিদ শেখ ধারালো ছুরি নিয়ে টিটু সরদারের ওপর হামলা করে। এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে একই এলাকার কবির সরদার উভয়ের মারামারি ঠেকাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় জাহিদ শেখের ধারালো ছুরির আঘাতে কবির সরদার ও টিটু সরদার মারাত্মকভাবে আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার কবির সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত টিটু সরদারকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোবাইলে গেমস খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে কবির সরদার (৩৮) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কবির সরদারের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি গ্রামে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।
সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভোজেরগাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে কয়েকজন যুবক মোবাইল ফোনে ফ্রি ফায়ার গেমস খেলছিলেন। সেখানে ছিলেন স্থানীয় জাহিদ শেখের ছেলে হাসান শেখ ও লোকমান সরদারের ছেলে টিটু সরদারসহ আরও কয়েকজন যুবক। খেলা চলাকালীন একপর্যায়ে টিটু সরদার ও হাসান শেখের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির শুরু হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আরোজ আলী বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
এর প্রায় কিছুক্ষণ পরে ওই ঘটনার জের ধরে প্রাইমারি স্কুলের সামনে হাসান শেখের সমর্থক জাহিদ শেখ ধারালো ছুরি নিয়ে টিটু সরদারের ওপর হামলা করে। এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে একই এলাকার কবির সরদার উভয়ের মারামারি ঠেকাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় জাহিদ শেখের ধারালো ছুরির আঘাতে কবির সরদার ও টিটু সরদার মারাত্মকভাবে আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার কবির সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত টিটু সরদারকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
৩ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৭ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে