গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক চিকিৎসক পরিবারসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার মিল্টন বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, প্রাইভেটকারে থাকা ঢাকার বারডেম হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের ডাক্তার ও গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের প্রফুল্ল কুমার সাহার ছেলে ডা. বাসুদেব সাহা (৫১), তাঁর স্ত্রী শিবানী সাহা (৪২) ও ছেলে আহসানউল্যাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল সাহা (১৯), প্রাইভেটকারের চালক ঢাকার দোয়ারী এলাকার আজিজুল (৪৫), মোটরসাইকেল আরোহী কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের জিন্দার মোল্লার ছেলে অনিক মোল্লা (২১), খায়েরহাট গ্রামের ইয়ার আলীর মেয়ে অনিফা (২০), বাসযাত্রী বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরদোয়ানী গ্রামের আব্দুর রশিদ খানের ছেলে আলতাফ হোসেন খান (৫৫), মহাসড়কের পাশে ধান মাড়াইয়ের কাজ করা দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের ফিরোজ মোল্লা (৫০) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা বেগম (৪০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাজিব পরিবহন নামে একটি বাস পাথরঘাটা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি প্রাইভেটকার, যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে গিয়ে মহাসড়কের পাশে গাছের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে বাসের সামনের অংশ ভেঙে গাছ ভেতরে ঢুকে যায়। ঘটনাস্থলেই চিকিৎসক পরিবারসহ ৭ জন নিহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহত অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে আরেকজনের মৃত্যু হয়। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বাসের ১৮ যাত্রী।
দুর্ঘটনায় মহাসড়কের ওই স্থানে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের উদ্ধার তৎপরতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ও পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকাসহ জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় নিহত ডা. বাসুদেব সাহার বড় ভাই জয়দেব সাহা বলেন, আমাদের মা ভীষণ অসুস্থ। মাকে দেখতেই আমার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে আজ সকালে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। আসার পথে ফেরিতে উঠে পরিবার নিয়ে সেলফি তুলে তাঁর ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দেয়। দুর্ঘটনার ১০ মিনিট আগে মোবাইলে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়।
জয়দেব সাহা আরও বলেন, আমার অসুস্থ মায়ের কথা ভেবে দুর্ঘটনার কথা এখনো বাড়িতে জানানো হয়নি। বাড়ির লোকজন কাঁদতেও পারছেন না। হাসপাতাল থেকে তাঁদের মরদেহ সরাসরি গোপালগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানে নিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক চিকিৎসক পরিবারসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার মিল্টন বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, প্রাইভেটকারে থাকা ঢাকার বারডেম হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের ডাক্তার ও গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের প্রফুল্ল কুমার সাহার ছেলে ডা. বাসুদেব সাহা (৫১), তাঁর স্ত্রী শিবানী সাহা (৪২) ও ছেলে আহসানউল্যাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল সাহা (১৯), প্রাইভেটকারের চালক ঢাকার দোয়ারী এলাকার আজিজুল (৪৫), মোটরসাইকেল আরোহী কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের জিন্দার মোল্লার ছেলে অনিক মোল্লা (২১), খায়েরহাট গ্রামের ইয়ার আলীর মেয়ে অনিফা (২০), বাসযাত্রী বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরদোয়ানী গ্রামের আব্দুর রশিদ খানের ছেলে আলতাফ হোসেন খান (৫৫), মহাসড়কের পাশে ধান মাড়াইয়ের কাজ করা দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের ফিরোজ মোল্লা (৫০) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা বেগম (৪০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাজিব পরিবহন নামে একটি বাস পাথরঘাটা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা এলাকায় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি প্রাইভেটকার, যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে গিয়ে মহাসড়কের পাশে গাছের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে বাসের সামনের অংশ ভেঙে গাছ ভেতরে ঢুকে যায়। ঘটনাস্থলেই চিকিৎসক পরিবারসহ ৭ জন নিহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহত অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে আরেকজনের মৃত্যু হয়। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বাসের ১৮ যাত্রী।
দুর্ঘটনায় মহাসড়কের ওই স্থানে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের উদ্ধার তৎপরতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ও পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকাসহ জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় নিহত ডা. বাসুদেব সাহার বড় ভাই জয়দেব সাহা বলেন, আমাদের মা ভীষণ অসুস্থ। মাকে দেখতেই আমার ছোট ভাই পরিবার নিয়ে আজ সকালে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। আসার পথে ফেরিতে উঠে পরিবার নিয়ে সেলফি তুলে তাঁর ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দেয়। দুর্ঘটনার ১০ মিনিট আগে মোবাইলে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়।
জয়দেব সাহা আরও বলেন, আমার অসুস্থ মায়ের কথা ভেবে দুর্ঘটনার কথা এখনো বাড়িতে জানানো হয়নি। বাড়ির লোকজন কাঁদতেও পারছেন না। হাসপাতাল থেকে তাঁদের মরদেহ সরাসরি গোপালগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানে নিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে