
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক দিনে পানিতে ডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। আজ শুক্রবার উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পূর্ব নৈয়ারবাড়ি ও হিরণ ইউনিয়নের দক্ষিণ হিরণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন সজল বাড়ৈ (২০), অনুছোঁয়া বাড়ৈ (৭) ও ইসাহাক (৪)। তাদের মধ্যে সজল ও অনুছোঁয়া আপন চাচাতো ভাই-বোন।
জানা গেছে, সজল নৈয়ারবাড়ি গ্রামের পঙ্কজ বাড়ৈর ছেলে ও অনুছোঁয়া একই গ্রামের শংকর বাড়ৈর মেয়ে। অপর দিকে ইসাহাক দক্ষিণ হিরণ গ্রামের এনায়েত হোসেন শেখের ছেলে।
কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন বলেন, সজল বাড়ৈ দুপুরে তার চাচাতো বোনকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় সজলের কাঁধে চড়ে অনুছোঁয়া সাঁতার কাটছিল। একপর্যায়ে তারা দুজনই পানিতে ডুবে যায়। এরপর পরিবারের লোকজন জাল টেনে পুকুর থেকে সজল ও অনুছোঁয়াকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সজল হার্টের রোগী ছিলেন বলে তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায়।
অন্যদিকে খেলাধুলা করার সময় বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে দক্ষিণ হিরণ গ্রামের ইসাহাক নামের ৪ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

গাইবান্ধা শহরে পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যের টাকা দিয়ে জুয়া খেলা ও নারী নিয়ে অশ্লীল একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি দুইদিন ধরে ফেসবুকে ভাসছে।
৫ মিনিট আগে
ছড়িয়ে পড়া ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মিজানুর রহমান এক ব্যক্তির সঙ্গে টাকার দর-কষাকষি করছেন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, কত আনছেন? অপর পক্ষ ৫০ হাজার আনছি, মিজান অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমি তো ৭০ আনতে বলছি, ৫০ হবে না। পরে অনেকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি টাকাগুলো গ্রহণ করেন।
১৬ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারে গত দুই দিনের বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে ৯২টি চা-বাগানে। সতেজতা ফিরেছে বোরো ধানের খেতেও। বিশেষ করে চা-বাগানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল এই সময়ের বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চা-গাছে নতুন কুঁড়ি গজাবে বলে জানিয়েছেন চা উৎপাদনে সংশ্লিষ্টরা।
৩১ মিনিট আগে
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করতে ইতিমধ্যে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখী মানুষ। আজ শনিবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। ঈদযাত্রার ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই পরিবার-পরিজনকে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে।
৩৩ মিনিট আগে