বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পেয়ে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অফিসে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এলাকাবাসী ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রিপন মণ্ডল দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুষ গ্রহণ ও বিভিন্নভাবে লোকজনকে হয়রানি করে আসছিলেন। হয়রানির শিকার ঠাকুরগাঁওয়ের উত্তর গড়েয়া এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে মো. মিজানুর রহমান দুদকের হটলাইন নম্বর ১০৬-এ কল করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে দিনাজপুর জেলা দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে উপ-সহকারী পরিচালক মো. কামরুন নাহার সরকার, সহকারী পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান ও উচ্চমান সহকারী মো. শাহজাহান আলী সমন্বয়ে একটি তদন্ত দল সাবরেজিস্ট্রি অফিসে যান।
এ সময় দুদক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সাব-রেজিস্ট্রারের তল্লী বাহক নকল নবিশ সুমন চন্দ্র রায় ও রশিদসহ আরও কয়েকজন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সরিয়ে ফেলেন এবং রিপন মণ্ডলের কামরায় তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করেন। তখন দুদকের তদন্তকারী দল ওই রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে সাবরেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলকে দীর্ঘসময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিততেই অভিযোগকারীর দলিল রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে সাবরেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে আনীত ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুয়া দলিল করতে মাঠ পরচা ও নামজারি থাকার পরেও বাঁটোয়ারা দলিলের অজুহাতে ৭ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অনেকে মৌখিক অভিযোগ করেছেন এবং সেগুলো আমলে নেওয়া হবে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরার মেশিনটি জব্দ করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে দুদকের তদন্তকারী দল স্থানত্যাগ করতে চাইলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা রিপন মণ্ডলের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে বীরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নেয়।
ওইদিন বিকেল ৫টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলে এলাহী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজ কুমার বিশ্বাস। এ সময় ইউএনও বলেন, ‘হঠাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে তদন্তে নামার বিষয়টি আমার জানা নেই। সাংবাদিক ও স্থানীয় ছাত্রনেতাদের মাধ্যমে জানতে পেরে ছুটে এসেছি।’
একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় জেলা রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। তিনি রিপন মণ্ডলের কাছে কামরার সিসি ক্যামেরার পাসওয়ার্ড জানতে চান। তখন রিপন মণ্ডল পাসওয়ার্ড জানেন না বললে জেলা রেজিস্ট্রার একে দায়িত্বের চরম অবহেলা ও উদাসীনতা বলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা রেজিস্ট্রার বলেন, ‘ঘটনাটি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছি। বিধিমতো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সকলের প্রতি আবেদন, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না সৃষ্টি হয়।’
জেলা রেজিস্ট্রার চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এরপর রাত ৮টার দিকে কাউকে না জানিয়ে অফিস থেকে পালিয়ে যান রিমন মণ্ডল।
অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের সীমাহীন ঘুষ, দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হয়ে দুদকের জরুরি হটলাইন ১০৬-এ অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি।’
অপরদিকে মরিচা ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের নুর ইসলামের পুত্র মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রায় ১ মাস পূর্বে আমার একটি জমির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও রিপন মণ্ডল বেশ কয়েক দিন ঘুরিয়ে ১০ হাজার টাকা নিয়ে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়।’
এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার রিমন মণ্ডল বলেন, ‘আমি একা দুর্নীতি করি এটি সত্য নয়, এ দুর্নীতির সঙ্গে দলিল লেখকদের রয়েছে একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।’

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পেয়ে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অফিসে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এলাকাবাসী ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রিপন মণ্ডল দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুষ গ্রহণ ও বিভিন্নভাবে লোকজনকে হয়রানি করে আসছিলেন। হয়রানির শিকার ঠাকুরগাঁওয়ের উত্তর গড়েয়া এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে মো. মিজানুর রহমান দুদকের হটলাইন নম্বর ১০৬-এ কল করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে দিনাজপুর জেলা দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে উপ-সহকারী পরিচালক মো. কামরুন নাহার সরকার, সহকারী পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান ও উচ্চমান সহকারী মো. শাহজাহান আলী সমন্বয়ে একটি তদন্ত দল সাবরেজিস্ট্রি অফিসে যান।
এ সময় দুদক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সাব-রেজিস্ট্রারের তল্লী বাহক নকল নবিশ সুমন চন্দ্র রায় ও রশিদসহ আরও কয়েকজন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সরিয়ে ফেলেন এবং রিপন মণ্ডলের কামরায় তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করেন। তখন দুদকের তদন্তকারী দল ওই রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে সাবরেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলকে দীর্ঘসময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিততেই অভিযোগকারীর দলিল রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে সাবরেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে আনীত ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুয়া দলিল করতে মাঠ পরচা ও নামজারি থাকার পরেও বাঁটোয়ারা দলিলের অজুহাতে ৭ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অনেকে মৌখিক অভিযোগ করেছেন এবং সেগুলো আমলে নেওয়া হবে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরার মেশিনটি জব্দ করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে দুদকের তদন্তকারী দল স্থানত্যাগ করতে চাইলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা রিপন মণ্ডলের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে বীরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নেয়।
ওইদিন বিকেল ৫টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলে এলাহী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজ কুমার বিশ্বাস। এ সময় ইউএনও বলেন, ‘হঠাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে তদন্তে নামার বিষয়টি আমার জানা নেই। সাংবাদিক ও স্থানীয় ছাত্রনেতাদের মাধ্যমে জানতে পেরে ছুটে এসেছি।’
একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় জেলা রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। তিনি রিপন মণ্ডলের কাছে কামরার সিসি ক্যামেরার পাসওয়ার্ড জানতে চান। তখন রিপন মণ্ডল পাসওয়ার্ড জানেন না বললে জেলা রেজিস্ট্রার একে দায়িত্বের চরম অবহেলা ও উদাসীনতা বলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা রেজিস্ট্রার বলেন, ‘ঘটনাটি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছি। বিধিমতো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সকলের প্রতি আবেদন, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না সৃষ্টি হয়।’
জেলা রেজিস্ট্রার চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এরপর রাত ৮টার দিকে কাউকে না জানিয়ে অফিস থেকে পালিয়ে যান রিমন মণ্ডল।
অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রার রিপন মণ্ডলের সীমাহীন ঘুষ, দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হয়ে দুদকের জরুরি হটলাইন ১০৬-এ অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি।’
অপরদিকে মরিচা ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের নুর ইসলামের পুত্র মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রায় ১ মাস পূর্বে আমার একটি জমির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও রিপন মণ্ডল বেশ কয়েক দিন ঘুরিয়ে ১০ হাজার টাকা নিয়ে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়।’
এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার রিমন মণ্ডল বলেন, ‘আমি একা দুর্নীতি করি এটি সত্য নয়, এ দুর্নীতির সঙ্গে দলিল লেখকদের রয়েছে একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।’

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
২ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
২ ঘণ্টা আগে