
বিএনপির প্রতি ভালোবাসা আর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার প্রবল আকাঙ্ক্ষায় আবারও ‘ধানমানব’ সেজেছেন মো. খাদেমুল ইসলাম। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুরের বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা হওয়ার কথা। আজ সকাল থেকে জনসভার মাঠে রয়েছেন ধানমানব খাদেমুল।
৫০ বছর বয়সী খাদেমুলের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের জাঠিহার গ্রামে। তিনি পুটিমারা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য।
আজ সকাল থেকেই ধানের শীষ দিয়ে বানানো টুপি, পোশাক পরে স্টেজের পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন খাদেমুল। তারেক রহমানকে কাছ থেকে একঝলক দেখার অপেক্ষায় অধীর হয়ে আছেন তিনি। খাদেমুল জানান, গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ৩০০ ফুট এলাকায় তারেক রহমানের জনসভায় সারা শরীর ধানের শীষ দিয়ে সাজিয়ে ধানমানব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেদিন স্টেজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি। এবার তাঁর আশা বিরামপুরের জনসভায় দলের নেতার কাছাকাছি যেতে পারবেন।
খাদেমুল ইসলাম বলেন, ধানের শীষের প্রতি ছোটবেলা থেকে তাঁর ভালোবাসা ছিল। গতবার তারেক রহমানের কাছে যেতে না পারলেও এবার হয়তো তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।
পুটিমারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান জানান, খাদেমুল একজন বিএনপি ও ধানের শীষ প্রতীকের ভক্ত। আজ বিরামপুরে তিনি তারেক রহমানের জনসভায় ধানমানব সেজে এসেছেন।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
৩ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৪ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৪ ঘণ্টা আগে