ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর শহরের এক শিশুকে নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে কেন্দ্রীয় মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্তকে (৬০) গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পৌর বাজারের স্থানীয় মন্দির এলাকায় এই গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরেশ মহন্তকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
আটক পরেশ মহন্ত উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামের মৃত প্রফুল্ল মহন্তের ছেলে।
স্থানীয়রা ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের ৭ / ৮ বছরের একটি শিশু গত বুধবার মন্দিরের ভেতর কবুতর দেখতে গেলে, ওই মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্ত তাকে ডেকে নিয়ে মন্দিরের ভেতরে নির্যাতনের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি পালিয়ে যায়। বাড়ি ফিরে এরপর থেকে ভয়ে আতঙ্কে চুপ করে থাকে শিশুটি। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর পরিবারের লোকজন শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, ঘটনাটি পরিবারকে জানায় শিশুটি। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা এসে ক্ষোভে পরেশ মহন্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম প্রসাদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ওই শিশুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। শিশুটি বলেছে মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্ত তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ করেছেন। এতে করে কি প্রমাণিত হয় যে পরেশ মহন্ত তাকে ধর্ষণ করেছে?’
এ ঘটনায় মন্দির কমিটি কি সিদ্ধান্ত নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্তকে মন্দির থেকে বের করে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ওসি আশ্রাফ ইসলাম জানান, স্থানীয়রা পৌর শহরের মন্দিরের সামনে পরেশ মহন্তকে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কোনো অভিযোগকারী না থাকায়, পরশ মহন্তকে ১৫১ ধারায় আটক দেখিয়ে দিনাজপুর জেল হাজতে পাঠানো হবে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর শহরের এক শিশুকে নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে কেন্দ্রীয় মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্তকে (৬০) গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পৌর বাজারের স্থানীয় মন্দির এলাকায় এই গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরেশ মহন্তকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
আটক পরেশ মহন্ত উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামের মৃত প্রফুল্ল মহন্তের ছেলে।
স্থানীয়রা ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের ৭ / ৮ বছরের একটি শিশু গত বুধবার মন্দিরের ভেতর কবুতর দেখতে গেলে, ওই মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্ত তাকে ডেকে নিয়ে মন্দিরের ভেতরে নির্যাতনের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি পালিয়ে যায়। বাড়ি ফিরে এরপর থেকে ভয়ে আতঙ্কে চুপ করে থাকে শিশুটি। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর পরিবারের লোকজন শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, ঘটনাটি পরিবারকে জানায় শিশুটি। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা এসে ক্ষোভে পরেশ মহন্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম প্রসাদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ওই শিশুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। শিশুটি বলেছে মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্ত তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ করেছেন। এতে করে কি প্রমাণিত হয় যে পরেশ মহন্ত তাকে ধর্ষণ করেছে?’
এ ঘটনায় মন্দির কমিটি কি সিদ্ধান্ত নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্দিরের ঝাড়ুদার পরেশ মহন্তকে মন্দির থেকে বের করে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ওসি আশ্রাফ ইসলাম জানান, স্থানীয়রা পৌর শহরের মন্দিরের সামনে পরেশ মহন্তকে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কোনো অভিযোগকারী না থাকায়, পরশ মহন্তকে ১৫১ ধারায় আটক দেখিয়ে দিনাজপুর জেল হাজতে পাঠানো হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে