আনিসুল হক জুয়েল, দিনাজপুর

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ‘কালো সোনা’খ্যাত শীতকালীন পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে সফলতা পেয়েছেন তরুণ মিলন ইসলাম ও তাঁর প্রতিবেশী মামা কলিনীকান্ত রায়। প্রথম দুই বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরেও সাড়ে পাঁচ একর জমিতে যৌথভাবে পেঁয়াজ বীজের আবাদ করেছেন তাঁরা।
বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বর্গাচাষি মনজুরুল ইসলামের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান মিলন ইসলাম পড়াশোনার পাশাপাশি বাবাকে মাঠের কাজে সহায়তা করেন। ২০১৮ সালে এসএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে মিলনের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। মাঠে কাজের পাশাপাশি পিতার দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে ভাবতে থাকেন। একদিন ইউটিউবে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন ও ভালো দামের বিষয়টি জানতে পেরে এ বীজ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার এলাকায় পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন না হওয়ায় কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
ঠিক এমন সময় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মসলাজাতীয় ফসল উৎপাদন বিষয়ে ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে ডাক পড়ে তাঁর বাবার। বিষয়টি জানতে পেরে বাবার পরিবর্তে মিলন নিজেই প্রতিবেশী মামাকে সঙ্গে নিয়ে কর্মশালায় যোগ দেন। প্রশিক্ষণ পেয়ে চোখের সামনে সোনালি স্বপ্ন ভাসতে থাকলেও বাস্তবসম্মত জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছিলেন না মিলন। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। শুরুতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, ফরিদপুর, পাবনাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় ঘুরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। হাতে নগদ অর্থ না থাকায় প্রথমবার জমি বর্গা নিতে ও খরচ জোগান দিতে বাড়ির গরুও বিক্রি করে দেন তাঁরা। অনেক প্রচেষ্টার পরে উপজেলা কৃষি অফিসারের সহায়তায় ২০২২ সালে যৌথভাবে তাঁরা সাড়ে তিন একর জমি বর্গা নিয়ে প্রথমবারের মতো পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করেন। প্রথম বছরেই সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ১০ লাখ টাকার পেঁয়াজ বীজ বিক্রি করেন তাঁরা।
এদিকে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনে সচ্ছলতা ফেরায় আবারও পড়াশোনায় ফিরেছেন মিলন। বর্তমানে দিনাজপুর কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজে উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিলন বলেন, ‘পেঁয়াজবীজ চাষ করে প্রথম বছরেই ভালো লাভ পাই। ইতিমধ্যে লাভের টাকায় দেড় একর জমিও কিনেছি। চলতি মৌসুমে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় প্রতি একরে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে আড়াই লাখ টাকায়। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় একরে ৪০০ কেজি করে ফলন পাওয়ার আশা। বাজার ভালো থাকলে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার বীজ উৎপন্ন হবে বলে আশা করছি।’
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাসান ইমাম জানান, মিলনকে বীজ বাজারজাতকরণের লাইসেন্স করে দেওয়া হচ্ছে। আশা করি তারা এর সুফল পাবে।

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ‘কালো সোনা’খ্যাত শীতকালীন পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে সফলতা পেয়েছেন তরুণ মিলন ইসলাম ও তাঁর প্রতিবেশী মামা কলিনীকান্ত রায়। প্রথম দুই বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরেও সাড়ে পাঁচ একর জমিতে যৌথভাবে পেঁয়াজ বীজের আবাদ করেছেন তাঁরা।
বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বর্গাচাষি মনজুরুল ইসলামের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান মিলন ইসলাম পড়াশোনার পাশাপাশি বাবাকে মাঠের কাজে সহায়তা করেন। ২০১৮ সালে এসএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে মিলনের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। মাঠে কাজের পাশাপাশি পিতার দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে ভাবতে থাকেন। একদিন ইউটিউবে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন ও ভালো দামের বিষয়টি জানতে পেরে এ বীজ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার এলাকায় পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন না হওয়ায় কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
ঠিক এমন সময় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মসলাজাতীয় ফসল উৎপাদন বিষয়ে ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে ডাক পড়ে তাঁর বাবার। বিষয়টি জানতে পেরে বাবার পরিবর্তে মিলন নিজেই প্রতিবেশী মামাকে সঙ্গে নিয়ে কর্মশালায় যোগ দেন। প্রশিক্ষণ পেয়ে চোখের সামনে সোনালি স্বপ্ন ভাসতে থাকলেও বাস্তবসম্মত জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছিলেন না মিলন। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। শুরুতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, ফরিদপুর, পাবনাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় ঘুরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। হাতে নগদ অর্থ না থাকায় প্রথমবার জমি বর্গা নিতে ও খরচ জোগান দিতে বাড়ির গরুও বিক্রি করে দেন তাঁরা। অনেক প্রচেষ্টার পরে উপজেলা কৃষি অফিসারের সহায়তায় ২০২২ সালে যৌথভাবে তাঁরা সাড়ে তিন একর জমি বর্গা নিয়ে প্রথমবারের মতো পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করেন। প্রথম বছরেই সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ১০ লাখ টাকার পেঁয়াজ বীজ বিক্রি করেন তাঁরা।
এদিকে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনে সচ্ছলতা ফেরায় আবারও পড়াশোনায় ফিরেছেন মিলন। বর্তমানে দিনাজপুর কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজে উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিলন বলেন, ‘পেঁয়াজবীজ চাষ করে প্রথম বছরেই ভালো লাভ পাই। ইতিমধ্যে লাভের টাকায় দেড় একর জমিও কিনেছি। চলতি মৌসুমে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় প্রতি একরে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে আড়াই লাখ টাকায়। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় একরে ৪০০ কেজি করে ফলন পাওয়ার আশা। বাজার ভালো থাকলে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার বীজ উৎপন্ন হবে বলে আশা করছি।’
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাসান ইমাম জানান, মিলনকে বীজ বাজারজাতকরণের লাইসেন্স করে দেওয়া হচ্ছে। আশা করি তারা এর সুফল পাবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে