মেহেদী হাসান, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

কাছারিবাড়িটি মনে হয় টিকবে না। ধ্বংস হয়ে যাবে। তখন কেউই অতীত ঘেঁটে বলবে না, এই কাছারিবাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর জমিদার ইন্দ্রচাঁদ বোথরার।
কাছারিবাড়িটি দীর্ঘদিন উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এখন সেই অফিস চলে গেছে একটু দূরে, নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা ভূমি অফিসের কাজ। তাই এখন কাছারিবাড়িটির দিকে কেউ তাকায় না। কোনো মূল্যই নেই সেটির। অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংস হতে চলেছে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এবং অতীত ঐতিহ্যের নীরব সাক্ষী এই কাছারিবাড়ি।
কাছারিবাড়ির কাছে গেলে দেখা যাবে, ১৮৮৬ সালে নির্মিত এই ভবনের প্রধান ফটকে পাথরে খোদাই করা দুটি বাঘ, নির্মাণ সাল ও বাড়ির মালিকের নাম লেখা রয়েছে। বাড়িটিতে খোদাই করা দুটি বড় বাঘের ছবি থাকায় বাড়িটি বাঘ মার্কা বাড়ি বলে এলাকায় পরিচিত ছিল।
ভূমি অফিস জানায়, পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গৌরীপাড়া এলাকার এই বাড়ির মোট জমিরর পরিমাণ ১ একর ৭৩ শতাংশ। এর মধ্যে কিছু জমি বেদখল হয়ে গেছে। বাকি জমিতে সাত কক্ষবিশিষ্ট দোতলা ভবন, যা প্রস্থে ৩০ ফুট ও দৈর্ঘ্যে ২০০ ফুট লম্বা। প্রতিটি দেয়াল ৩০ ইঞ্চি চওড়া, চুন-সুরকি দিয়ে বানানো।
ভবনটি সংস্কার করা দরকার। অতীত ঐতিহ্যের নিদর্শন হয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের শিক্ষণীয় বিষয় হয়ে উঠতে পারে ভবনটি। পাশাপাশি এখানে ডাকবাংলো থাকায় পর্যটকদের কাছে দর্শনীয় এলাকা হয়ে উঠতে পারে এটি।
উপজেলার বর্ষীয়ান মানুষ মাঝে মাঝেই অতীত রোমন্থন করেন। তাঁরা যা বলেন, তা এক করলে দাঁড়ায় এ রকম একটি গল্প: তৎকালীন প্রজাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ছোট যমুনা নদীর পাড়ে এই কাছারিবাড়ি তৈরি করা হয়। এই কাছারিবাড়ি জমিদার ইন্দ্রচাঁদ বোথরার শখের বাড়ি ছিল। নান্দনিক নির্মাণশৈলীর কারুকার্যে দর্শনার্থীরা মোহিত হতো। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে এই কাছারিবাড়ি উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি ছিল উপজেলা ভূমি অফিস।
এখন এই কাছারিবাড়িতে গেলে দেখা যাবে ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহ্যবাহী ভবন সংস্কার করার কথা ভাবেনি। ভবনটির ঠিক পেছনেই তৈরি করেছে আরেকটি ভবন।
কাছারিবাড়িটি একটু দেখেশুনে রাখলে এটা হয়ে উঠতে পারত দর্শনীয় একটি স্থান। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসতেন পর্যটকেরা। বর্ষীয়ানদের কাছ থেকে কাছারিবাড়ির ইতিহাস জেনে নিয়ে সেটা লিখে রাখা হোক। অতীত এসে জড়িয়ে ধরুক বর্তমানকে।
কেন ভবনটি সংস্কার করা হচ্ছে না, জিজ্ঞেস করা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিয়াজউদ্দিনকে। তিনি জানান, এই ভবন সংস্কারের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কি কথার কথা, নাকি সত্যিই ভালো কিছু ঘটতে যাচ্ছে, সেটা বোঝা যাবে কিছুদিন পরে।
এলাকার মানুষ চায় ঐতিহ্যবাহী কাছারিবাড়িটি তার অতীত ঐতিহ্য নিয়ে টিকে থাকুক।

কাছারিবাড়িটি মনে হয় টিকবে না। ধ্বংস হয়ে যাবে। তখন কেউই অতীত ঘেঁটে বলবে না, এই কাছারিবাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর জমিদার ইন্দ্রচাঁদ বোথরার।
কাছারিবাড়িটি দীর্ঘদিন উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এখন সেই অফিস চলে গেছে একটু দূরে, নতুন একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে উপজেলা ভূমি অফিসের কাজ। তাই এখন কাছারিবাড়িটির দিকে কেউ তাকায় না। কোনো মূল্যই নেই সেটির। অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংস হতে চলেছে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এবং অতীত ঐতিহ্যের নীরব সাক্ষী এই কাছারিবাড়ি।
কাছারিবাড়ির কাছে গেলে দেখা যাবে, ১৮৮৬ সালে নির্মিত এই ভবনের প্রধান ফটকে পাথরে খোদাই করা দুটি বাঘ, নির্মাণ সাল ও বাড়ির মালিকের নাম লেখা রয়েছে। বাড়িটিতে খোদাই করা দুটি বড় বাঘের ছবি থাকায় বাড়িটি বাঘ মার্কা বাড়ি বলে এলাকায় পরিচিত ছিল।
ভূমি অফিস জানায়, পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গৌরীপাড়া এলাকার এই বাড়ির মোট জমিরর পরিমাণ ১ একর ৭৩ শতাংশ। এর মধ্যে কিছু জমি বেদখল হয়ে গেছে। বাকি জমিতে সাত কক্ষবিশিষ্ট দোতলা ভবন, যা প্রস্থে ৩০ ফুট ও দৈর্ঘ্যে ২০০ ফুট লম্বা। প্রতিটি দেয়াল ৩০ ইঞ্চি চওড়া, চুন-সুরকি দিয়ে বানানো।
ভবনটি সংস্কার করা দরকার। অতীত ঐতিহ্যের নিদর্শন হয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের শিক্ষণীয় বিষয় হয়ে উঠতে পারে ভবনটি। পাশাপাশি এখানে ডাকবাংলো থাকায় পর্যটকদের কাছে দর্শনীয় এলাকা হয়ে উঠতে পারে এটি।
উপজেলার বর্ষীয়ান মানুষ মাঝে মাঝেই অতীত রোমন্থন করেন। তাঁরা যা বলেন, তা এক করলে দাঁড়ায় এ রকম একটি গল্প: তৎকালীন প্রজাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ছোট যমুনা নদীর পাড়ে এই কাছারিবাড়ি তৈরি করা হয়। এই কাছারিবাড়ি জমিদার ইন্দ্রচাঁদ বোথরার শখের বাড়ি ছিল। নান্দনিক নির্মাণশৈলীর কারুকার্যে দর্শনার্থীরা মোহিত হতো। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে এই কাছারিবাড়ি উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি ছিল উপজেলা ভূমি অফিস।
এখন এই কাছারিবাড়িতে গেলে দেখা যাবে ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহ্যবাহী ভবন সংস্কার করার কথা ভাবেনি। ভবনটির ঠিক পেছনেই তৈরি করেছে আরেকটি ভবন।
কাছারিবাড়িটি একটু দেখেশুনে রাখলে এটা হয়ে উঠতে পারত দর্শনীয় একটি স্থান। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসতেন পর্যটকেরা। বর্ষীয়ানদের কাছ থেকে কাছারিবাড়ির ইতিহাস জেনে নিয়ে সেটা লিখে রাখা হোক। অতীত এসে জড়িয়ে ধরুক বর্তমানকে।
কেন ভবনটি সংস্কার করা হচ্ছে না, জিজ্ঞেস করা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিয়াজউদ্দিনকে। তিনি জানান, এই ভবন সংস্কারের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কি কথার কথা, নাকি সত্যিই ভালো কিছু ঘটতে যাচ্ছে, সেটা বোঝা যাবে কিছুদিন পরে।
এলাকার মানুষ চায় ঐতিহ্যবাহী কাছারিবাড়িটি তার অতীত ঐতিহ্য নিয়ে টিকে থাকুক।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে