ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

অপহরণের এক সপ্তাহেও উদ্ধার হয়নি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কলেজ ছাত্রী নূপুর মহন্ত (১৬)। অপরদিকে মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, মুক্তির পর তাঁরা অপহৃতের বাবা-মাসহ পরিবারে সদস্যদের নানা হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফুলবাড়ী থানায় গত বুধবার দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, অপহৃত কলেজ শিক্ষার্থী নূপুর মহন্ত ফুলবাড়ী উপজেলার ৪ নম্বর বেতদীঘি ইউনিয়নের চিন্তামন (মাহালীপাড়া) গ্রামের শ্রী অজল মহন্তের মেয়ে। নূপুর মাদিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৭ জানুয়ারি সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই ইউনিয়নের চক এনায়েতপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে রুবেল ইসলাম (৩০), মৃত তফিল উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫২), সাইফুল ইসলামের ছেলে জুয়েল (২৭) ও আল আমিন (২২) ও সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রাহিলা বেগম (৪৫) কৌশলে বাড়ির সামনে ডেকে নেয় নূপুরকে। এরপর জোরপূর্বক তাঁকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে মাদিলাহাটের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় নূপুর চিৎকার করলে, স্থানীয়রা চেষ্টা করেও মাইক্রোবাসটিকে আটকাতে পারেননি। এ ঘটনার পর থেকে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে চেষ্টা করেও কোনো কাজ না হওয়ায় অপহৃতার বাবা গত বুধবার, পাঁচজনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
অপহৃতের বাবা অজল মহন্ত বলেন, রুবেল ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে লুকিয়ে রেখেছে। পুলিশ উদ্ধারের জন্য এরই মধ্যে ঢাকা, মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় তাকে (অজলকে) নিয়ে অভিযান চালিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করতে পারেনি। এরই মধ্যে মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রাহিলা বেগম আদালত থেকে জামিনে এসে নানাভাবে হুমকি, ভয়ভীতিসহ মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন। এ কারণে পুরো পরিবার নিয়ে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলার বেতদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ শাহ মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মেয়েটি অপহরণের পরদিন থেকেই উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায়, অপহৃতার পিতা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। উপরন্তু অপহৃত নাবালিকা নূপুরকে বিয়ে করে সেই বিয়ের প্রচার চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
গতকাল সোমবার ফুলবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়ের করতে দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে উদ্ধার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপহরণের এক সপ্তাহেও উদ্ধার হয়নি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কলেজ ছাত্রী নূপুর মহন্ত (১৬)। অপরদিকে মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, মুক্তির পর তাঁরা অপহৃতের বাবা-মাসহ পরিবারে সদস্যদের নানা হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফুলবাড়ী থানায় গত বুধবার দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, অপহৃত কলেজ শিক্ষার্থী নূপুর মহন্ত ফুলবাড়ী উপজেলার ৪ নম্বর বেতদীঘি ইউনিয়নের চিন্তামন (মাহালীপাড়া) গ্রামের শ্রী অজল মহন্তের মেয়ে। নূপুর মাদিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৭ জানুয়ারি সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই ইউনিয়নের চক এনায়েতপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে রুবেল ইসলাম (৩০), মৃত তফিল উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫২), সাইফুল ইসলামের ছেলে জুয়েল (২৭) ও আল আমিন (২২) ও সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রাহিলা বেগম (৪৫) কৌশলে বাড়ির সামনে ডেকে নেয় নূপুরকে। এরপর জোরপূর্বক তাঁকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে মাদিলাহাটের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় নূপুর চিৎকার করলে, স্থানীয়রা চেষ্টা করেও মাইক্রোবাসটিকে আটকাতে পারেননি। এ ঘটনার পর থেকে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে চেষ্টা করেও কোনো কাজ না হওয়ায় অপহৃতার বাবা গত বুধবার, পাঁচজনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
অপহৃতের বাবা অজল মহন্ত বলেন, রুবেল ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে লুকিয়ে রেখেছে। পুলিশ উদ্ধারের জন্য এরই মধ্যে ঢাকা, মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় তাকে (অজলকে) নিয়ে অভিযান চালিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করতে পারেনি। এরই মধ্যে মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রাহিলা বেগম আদালত থেকে জামিনে এসে নানাভাবে হুমকি, ভয়ভীতিসহ মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন। এ কারণে পুরো পরিবার নিয়ে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলার বেতদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ শাহ মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মেয়েটি অপহরণের পরদিন থেকেই উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায়, অপহৃতার পিতা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। উপরন্তু অপহৃত নাবালিকা নূপুরকে বিয়ে করে সেই বিয়ের প্রচার চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
গতকাল সোমবার ফুলবাড়ী থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়ের করতে দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে উদ্ধার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে