নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস্ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কমিশনের কার্যালয়ে তিনি এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বলে এক বিবৃতি জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ।
সাক্ষাতে নবগঠিত কমিশনকে অভিনন্দন জানান পিটার ডি হাস্। এ সময় ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ কমিশনের কার্যক্রম ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মধ্যে কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো যায় সে লক্ষ্যে আলোচনা হয়।
কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, নবগঠিত কমিশন মানবাধিকার সুরক্ষায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশের মানুষকে মানবাধিকারের বিষয়সমূহে সচেতন করা ও সমাজে মানবাধিকার সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে, কমিশন সোচ্চার থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত কমিশনের ভাবনা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন যথাযথ আয়োজনের মাধ্যমে জনমানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবেন কমিশন এ প্রত্যাশা করে।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে কমিশনের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে সন্তুষ্টি ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়াও মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশন, মার্কিন দূতাবাস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য জনাব মো. সেলিম রেজা, সচিব নারায়ণ চন্দ্র সরকার, উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ প্রমুখ।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস্ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কমিশনের কার্যালয়ে তিনি এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বলে এক বিবৃতি জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ।
সাক্ষাতে নবগঠিত কমিশনকে অভিনন্দন জানান পিটার ডি হাস্। এ সময় ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ কমিশনের কার্যক্রম ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মধ্যে কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো যায় সে লক্ষ্যে আলোচনা হয়।
কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, নবগঠিত কমিশন মানবাধিকার সুরক্ষায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশের মানুষকে মানবাধিকারের বিষয়সমূহে সচেতন করা ও সমাজে মানবাধিকার সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে, কমিশন সোচ্চার থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত কমিশনের ভাবনা জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন যথাযথ আয়োজনের মাধ্যমে জনমানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবেন কমিশন এ প্রত্যাশা করে।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে কমিশনের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে সন্তুষ্টি ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়াও মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশন, মার্কিন দূতাবাস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য জনাব মো. সেলিম রেজা, সচিব নারায়ণ চন্দ্র সরকার, উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে