নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বাড়ছে লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি। আর এর পেছনে প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি ভাইরাস। চিকিৎসকেরা বলছেন, ‘দেশে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের প্রধান কারণ এই ভাইরাসটি।’
আজ মঙ্গলবার হেপাটাইটিস বি নির্মূলে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১-এর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় ঢাকা ক্লাবে এসব তথ্য জানান চিকিৎসকেরা।
চিকিৎসকেরা বলেন, ‘প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোয় যে পরিমাণ রোগী ভর্তি হোন, তাদের ১০ থেকে ১২ শতাংশ লিভার রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে বেশির ভাগই আবার হেপাটাইটিস বি ভাইরাস জনিত। এমনকি এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের মৃত্যুর কারণ এই লিভারজনিত রোগ।’
চিকিৎসকেরা আরও জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, করোনার আগে দেশে প্রতি বছর ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেত। আর গত দু-বছরে পৃথিবীর অন্যান্য আর দশটি দেশের মতো বাংলাদেশেও যেহেতু সব হাসপাতাল কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়েছিল, নন-কোভিড রোগীদের সেবা ব্যাহত হয়েছিল। ফলে বর্তমানে এই সংখ্যা আরও বেশি।
এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলোজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। তিনি বলেন, ‘লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ শুধু মৃত্যুবরণই করছেন, তাই নয়। লিভার রোগের কারণে প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থও। তবে বাংলাদেশ যেহেতু ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস নির্মূলের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এ জন্য চ্যালেঞ্জটাও পাহাড়সমান। শুধু যে কোভিড আমাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে তা নয়, আমাদের এখনো ঘাটতি রয়েছে লিভার বিশেষজ্ঞ আর বিশেষায়িত লিভার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানেরও। তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ মানুষকে সচেতন করা।’
এই চিকিৎসক বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী প্রতি ১২ জনে একজন হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এই আক্রান্ত মানুষগুলোর ১০ শতাংশেরও জানা নেই যে তারা এমন কঠিন রোগে ভুগছেন। এর বড় কারণ এসব রোগীদের লিভার অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের রোগের তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না বললেই চলে। কাজেই হেপাটাইটিস বি নির্মূলের এসডিজি গোলটি অর্জন করতে হলে সবার আগে জোর দিতে হবে জনসচেতনতা তৈরিতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোটারি ক্লাবের ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ইঞ্জিনিয়ার এম এ ওয়াহাব বলেন, ‘রোটারি ক্লাব বাংলাদেশ থেকে পোলিও মুক্তকরণে ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় হেপাটাইটিস বি নির্মূলেও কাজ করছি। এখন থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সচেতন করে তোলা এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করার জন্য রোটারির উদ্যোগে জেলাব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনে রোটারি ক্লাব কাজ করে যাচ্ছে। পোলিও নির্মূলে তাদের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে। হেপাটাইটিস বি নির্মূলেও আশা করি ভালো ভূমিকা রাখবে।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বাড়ছে লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি। আর এর পেছনে প্রধান কারণ হেপাটাইটিস বি ভাইরাস। চিকিৎসকেরা বলছেন, ‘দেশে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের প্রধান কারণ এই ভাইরাসটি।’
আজ মঙ্গলবার হেপাটাইটিস বি নির্মূলে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১-এর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় ঢাকা ক্লাবে এসব তথ্য জানান চিকিৎসকেরা।
চিকিৎসকেরা বলেন, ‘প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোয় যে পরিমাণ রোগী ভর্তি হোন, তাদের ১০ থেকে ১২ শতাংশ লিভার রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে বেশির ভাগই আবার হেপাটাইটিস বি ভাইরাস জনিত। এমনকি এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের মৃত্যুর কারণ এই লিভারজনিত রোগ।’
চিকিৎসকেরা আরও জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, করোনার আগে দেশে প্রতি বছর ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেত। আর গত দু-বছরে পৃথিবীর অন্যান্য আর দশটি দেশের মতো বাংলাদেশেও যেহেতু সব হাসপাতাল কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়েছিল, নন-কোভিড রোগীদের সেবা ব্যাহত হয়েছিল। ফলে বর্তমানে এই সংখ্যা আরও বেশি।
এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলোজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। তিনি বলেন, ‘লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ শুধু মৃত্যুবরণই করছেন, তাই নয়। লিভার রোগের কারণে প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থও। তবে বাংলাদেশ যেহেতু ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস নির্মূলের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এ জন্য চ্যালেঞ্জটাও পাহাড়সমান। শুধু যে কোভিড আমাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে তা নয়, আমাদের এখনো ঘাটতি রয়েছে লিভার বিশেষজ্ঞ আর বিশেষায়িত লিভার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানেরও। তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ মানুষকে সচেতন করা।’
এই চিকিৎসক বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী প্রতি ১২ জনে একজন হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এই আক্রান্ত মানুষগুলোর ১০ শতাংশেরও জানা নেই যে তারা এমন কঠিন রোগে ভুগছেন। এর বড় কারণ এসব রোগীদের লিভার অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের রোগের তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না বললেই চলে। কাজেই হেপাটাইটিস বি নির্মূলের এসডিজি গোলটি অর্জন করতে হলে সবার আগে জোর দিতে হবে জনসচেতনতা তৈরিতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোটারি ক্লাবের ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ইঞ্জিনিয়ার এম এ ওয়াহাব বলেন, ‘রোটারি ক্লাব বাংলাদেশ থেকে পোলিও মুক্তকরণে ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় হেপাটাইটিস বি নির্মূলেও কাজ করছি। এখন থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সচেতন করে তোলা এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করার জন্য রোটারির উদ্যোগে জেলাব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনে রোটারি ক্লাব কাজ করে যাচ্ছে। পোলিও নির্মূলে তাদের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে। হেপাটাইটিস বি নির্মূলেও আশা করি ভালো ভূমিকা রাখবে।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে