নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন (বিভিএ)। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদ মাহমুদ বেলাল হায়দর বলেন, মানুষ এবং পশু উভয়েই জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতার শিকার হতে পারে। রোগটি সাধারণত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বাদুর ইত্যাদি প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের দ্বারা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং একবার এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে মৃত্যু অবধারিত। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পোষা প্রাণীকে টিকা প্রদানই এই রোগের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়।
তিনি প্রাণী কল্যাণ কাজে নিয়োজিত ভেটেরিনারিয়ানদের নিজেদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাসহ রোগটি নির্মূলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্ব থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগটি দূর করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ। প্রাণিস্বাস্থ্য ও মানব স্বাস্থ্যের যৌথ ও সফল উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল সঠিক সময়ে জলাতঙ্ক দূর করা সম্ভব।
বিভিএ এর সদস্যসচিব ডা. মো. তারেক হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভিএ এর আহ্বায়ক ডা. সফিউল আহাদ সরদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক। সভার শুরুতে জলাতঙ্কের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. নাজমুল এইচ নাজির। প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব ডা. কবির উদ্দিন আহমেদ, দি ভেট এক্সিকিউটিভ আহ্বায়ক ডা. মো. রেজাউল করিম মিয়া, ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. মাহাবুবুর রহমান।

বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন (বিভিএ)। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদ মাহমুদ বেলাল হায়দর বলেন, মানুষ এবং পশু উভয়েই জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতার শিকার হতে পারে। রোগটি সাধারণত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বাদুর ইত্যাদি প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের দ্বারা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং একবার এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে মৃত্যু অবধারিত। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পোষা প্রাণীকে টিকা প্রদানই এই রোগের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়।
তিনি প্রাণী কল্যাণ কাজে নিয়োজিত ভেটেরিনারিয়ানদের নিজেদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাসহ রোগটি নির্মূলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্ব থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগটি দূর করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ। প্রাণিস্বাস্থ্য ও মানব স্বাস্থ্যের যৌথ ও সফল উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল সঠিক সময়ে জলাতঙ্ক দূর করা সম্ভব।
বিভিএ এর সদস্যসচিব ডা. মো. তারেক হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভিএ এর আহ্বায়ক ডা. সফিউল আহাদ সরদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক। সভার শুরুতে জলাতঙ্কের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. নাজমুল এইচ নাজির। প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব ডা. কবির উদ্দিন আহমেদ, দি ভেট এক্সিকিউটিভ আহ্বায়ক ডা. মো. রেজাউল করিম মিয়া, ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. মাহাবুবুর রহমান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে