নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ সোমবার রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে মার্কেট-বিপণিবিতান। কিন্তু আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক মার্কেট, বিপণিবিতান খোলা দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের অনেকে বলছেন, সরকারের এমন নির্দেশনার কথা তাঁরা জানেনই না।। কেউ কেউ বলছেন, গণমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছেন, কিন্তু আশপাশে কেউ দোকান বন্ধ করেনি, তাই দেখাদেখি তাঁরাও খোলা রেখেছেন।
রাজধানীর বনশ্রী এলাকার জুতার শোরুম স্টেপ রাত ৮টার পরও খোলা দেখা গেছে। শোরুমের দায়িত্বশীল মোহাম্মদ সজল হোসেন বলেন, ‘অনলাইনে দেখেছি। কিন্তু দোকান বন্ধের বিষয়ে কেউ কিছু বলেনি। আর আশপাশের অনেক দোকান খোলা রয়েছে, তাই আমরাও দোকান বন্ধ করিনি।’
মালিবাগ রেল গেট এলাকার মুদি দোকান সাগর স্টোরের মালিক বজলুর রহমান বলেন, ‘কই, এই ব্যাপারে কেউ তো কিছু কই নাই। সরকার নির্দেশ দিলে তো আমাগো মানতেই অইবো। কেউ তো আর গরিবের কষ্ট বুঝে না!’
সরকারি নির্দেশনার পর দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে জানতে চাইলে বৃহত্তর নীলক্ষেত ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. দাউদুল্লাহিল মজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের আগে এমন সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হবে। কিন্তু সরকার তার প্রয়োজন মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন তো কিছু করার নেই। বিশ্ব পরিস্থিতির হিসেবেই তো চলতে হবে। ঈদ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আমরা আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করা হয়নি।’
তবে এমন প্রক্রিয়ায় চলতে থাকলে এতে সবাই অভ্যস্ত হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। মজিদ বলেন, ‘প্রথম দিন অনেকে জেনে বা না জেনে দেরিতে দোকান বন্ধ করেছে। অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে সমস্যা হওয়ার কোনো কারণ থাকবে না।’
মিরপুর ১১ নম্বর এলাকার দোকানগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা হয়েছে বলে জানান নিউ মার্কেট সোসাইটির ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘দোকানগুলো রাত ৮টার পর বন্ধ করা ঠিক নয়। মানুষ ঈদ সামনে রেখে একটু বেচাবিক্রি করবে, সেই সুযোগ সরকার দিচ্ছে না। সরকারের কথা তো না শুনে উপায় নেই, তাই বাধ্য হয়ে সবাই দোকান বন্ধ করেছে।’
আজ রাতের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ) বণিক সমিতির সভাপতি মো. শহীদুল্লাহ শহীদ বলেন, ‘আজকে ৮টার সময় বন্ধ করার কথা কিন্তু বন্ধ করতে করতে সাড়ে ৮টা বাজছে। সবাইকে বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
মার্কেট বন্ধের বিষয়ে গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সানুগ্রহ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১১৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালনপূর্বক সারা দেশে রাত আটটার পর দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান, কাঁচা বাজার ইত্যাদি খোলা না রাখার বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
তবে শ্রম আইন অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর খোলা রাখা যাবে সেগুলো হচ্ছে—ডক, জেটি, স্টেশন অথবা বিমান বন্দর এবং পরিবহন সার্ভিস টার্মিনাল অফিস। তরকারি, মাংস, মাছ, দুগ্ধ জাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান। ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান। দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান। তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান। খুচরা, পেট্রোল বিক্রির জন্য পেট্রোল পাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটর গাড়ির সার্ভিস স্টেশন। নাপিত এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান। যেকোনো ময়লা নিষ্কাশন অথবা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। যেকোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো-অথবা পানি সরবরাহ করে এবং ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ সোমবার রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে মার্কেট-বিপণিবিতান। কিন্তু আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক মার্কেট, বিপণিবিতান খোলা দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের অনেকে বলছেন, সরকারের এমন নির্দেশনার কথা তাঁরা জানেনই না।। কেউ কেউ বলছেন, গণমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছেন, কিন্তু আশপাশে কেউ দোকান বন্ধ করেনি, তাই দেখাদেখি তাঁরাও খোলা রেখেছেন।
রাজধানীর বনশ্রী এলাকার জুতার শোরুম স্টেপ রাত ৮টার পরও খোলা দেখা গেছে। শোরুমের দায়িত্বশীল মোহাম্মদ সজল হোসেন বলেন, ‘অনলাইনে দেখেছি। কিন্তু দোকান বন্ধের বিষয়ে কেউ কিছু বলেনি। আর আশপাশের অনেক দোকান খোলা রয়েছে, তাই আমরাও দোকান বন্ধ করিনি।’
মালিবাগ রেল গেট এলাকার মুদি দোকান সাগর স্টোরের মালিক বজলুর রহমান বলেন, ‘কই, এই ব্যাপারে কেউ তো কিছু কই নাই। সরকার নির্দেশ দিলে তো আমাগো মানতেই অইবো। কেউ তো আর গরিবের কষ্ট বুঝে না!’
সরকারি নির্দেশনার পর দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে জানতে চাইলে বৃহত্তর নীলক্ষেত ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. দাউদুল্লাহিল মজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের আগে এমন সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হবে। কিন্তু সরকার তার প্রয়োজন মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন তো কিছু করার নেই। বিশ্ব পরিস্থিতির হিসেবেই তো চলতে হবে। ঈদ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আমরা আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করা হয়নি।’
তবে এমন প্রক্রিয়ায় চলতে থাকলে এতে সবাই অভ্যস্ত হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। মজিদ বলেন, ‘প্রথম দিন অনেকে জেনে বা না জেনে দেরিতে দোকান বন্ধ করেছে। অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে সমস্যা হওয়ার কোনো কারণ থাকবে না।’
মিরপুর ১১ নম্বর এলাকার দোকানগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা হয়েছে বলে জানান নিউ মার্কেট সোসাইটির ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘দোকানগুলো রাত ৮টার পর বন্ধ করা ঠিক নয়। মানুষ ঈদ সামনে রেখে একটু বেচাবিক্রি করবে, সেই সুযোগ সরকার দিচ্ছে না। সরকারের কথা তো না শুনে উপায় নেই, তাই বাধ্য হয়ে সবাই দোকান বন্ধ করেছে।’
আজ রাতের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ) বণিক সমিতির সভাপতি মো. শহীদুল্লাহ শহীদ বলেন, ‘আজকে ৮টার সময় বন্ধ করার কথা কিন্তু বন্ধ করতে করতে সাড়ে ৮টা বাজছে। সবাইকে বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
মার্কেট বন্ধের বিষয়ে গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সানুগ্রহ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১১৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালনপূর্বক সারা দেশে রাত আটটার পর দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান, কাঁচা বাজার ইত্যাদি খোলা না রাখার বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
তবে শ্রম আইন অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর খোলা রাখা যাবে সেগুলো হচ্ছে—ডক, জেটি, স্টেশন অথবা বিমান বন্দর এবং পরিবহন সার্ভিস টার্মিনাল অফিস। তরকারি, মাংস, মাছ, দুগ্ধ জাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান। ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান। দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান। তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান। খুচরা, পেট্রোল বিক্রির জন্য পেট্রোল পাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটর গাড়ির সার্ভিস স্টেশন। নাপিত এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান। যেকোনো ময়লা নিষ্কাশন অথবা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। যেকোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো-অথবা পানি সরবরাহ করে এবং ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে