সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

এককালে ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি। বিএনপির সমর্থন নিয়ে হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানও। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ভিড়তে শুরু করেন শামীম ওসমানের সঙ্গে। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। এর পরপরই যোগ দেন আওয়ামী লীগে। সবশেষ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিনা ভোটে ফের কুতুবপুর ইউপির চেয়ারম্যান হন। আওয়ামী লীগ বিদায় নেওয়ার পর এবার তিনি বিএনপিতে ফেরার চেষ্টা করছেন।
সুবিধা বুঝে বারবার দল পরিবর্তন করা এই রাজনীতিকের নাম মনিরুল আলম সেন্টু। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের রাজনীতি থেকে উত্থান হওয়া সেন্টু শুধু নিজের আধিপত্য ও প্রভাব ধরে রাখতে বারবার দল বদলেছেন। এবার তিনি বিএনপিতে ফিরতে আবেদন করেছেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর মাধ্যমে গত ৫ জানুয়ারি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর আবেদনটি করেন তিনি। বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্র বলেছে, ৫ আগস্টের পর সেন্টুর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হলেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সঙ্গে সখ্য থাকায় পালাতে হয়নি তাঁকে।
মনিরুল আলম সেন্টুর নতুন করে দলে ঢোকার চেষ্টা প্রসঙ্গে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. বারী ভুঁইয়া বলেন, ‘সেন্টু বিএনপিতে ঢোকার জন্য আবেদন করেছে শুনতে পেরেছি। সে আওয়ামী লীগের আমলে শামীম ওসমানের সাথে সম্পর্ক রেখে টাকা কামাইছে। জমির ব্যবসা করে ঢাকায় ১০টা বাড়ি করছে। আওয়ামী লীগে যোগ দিছে। এখন টাকা কামানোর জন্য আবার বিএনপিতে আসতে চায়। এই ধরনের সুবিধাবাদীকে বিএনপি প্রশ্রয় দেবে না। দু-একজন সুবিধাভোগী তার সমর্থন করে। বাকি কেউ তাকে চায় না। আমরা এই সেন্টুর বিএনপিতে প্রবেশ প্রতিহত করব। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা, নৌকা নিয়ে চেয়ারম্যান হওয়া সেন্টুকে বিএনপিতে ফিরিয়ে আনার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

এককালে ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি। বিএনপির সমর্থন নিয়ে হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানও। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ভিড়তে শুরু করেন শামীম ওসমানের সঙ্গে। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। এর পরপরই যোগ দেন আওয়ামী লীগে। সবশেষ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিনা ভোটে ফের কুতুবপুর ইউপির চেয়ারম্যান হন। আওয়ামী লীগ বিদায় নেওয়ার পর এবার তিনি বিএনপিতে ফেরার চেষ্টা করছেন।
সুবিধা বুঝে বারবার দল পরিবর্তন করা এই রাজনীতিকের নাম মনিরুল আলম সেন্টু। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের রাজনীতি থেকে উত্থান হওয়া সেন্টু শুধু নিজের আধিপত্য ও প্রভাব ধরে রাখতে বারবার দল বদলেছেন। এবার তিনি বিএনপিতে ফিরতে আবেদন করেছেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর মাধ্যমে গত ৫ জানুয়ারি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর আবেদনটি করেন তিনি। বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্র বলেছে, ৫ আগস্টের পর সেন্টুর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হলেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সঙ্গে সখ্য থাকায় পালাতে হয়নি তাঁকে।
মনিরুল আলম সেন্টুর নতুন করে দলে ঢোকার চেষ্টা প্রসঙ্গে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. বারী ভুঁইয়া বলেন, ‘সেন্টু বিএনপিতে ঢোকার জন্য আবেদন করেছে শুনতে পেরেছি। সে আওয়ামী লীগের আমলে শামীম ওসমানের সাথে সম্পর্ক রেখে টাকা কামাইছে। জমির ব্যবসা করে ঢাকায় ১০টা বাড়ি করছে। আওয়ামী লীগে যোগ দিছে। এখন টাকা কামানোর জন্য আবার বিএনপিতে আসতে চায়। এই ধরনের সুবিধাবাদীকে বিএনপি প্রশ্রয় দেবে না। দু-একজন সুবিধাভোগী তার সমর্থন করে। বাকি কেউ তাকে চায় না। আমরা এই সেন্টুর বিএনপিতে প্রবেশ প্রতিহত করব। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা, নৌকা নিয়ে চেয়ারম্যান হওয়া সেন্টুকে বিএনপিতে ফিরিয়ে আনার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

পাউবোর নীলফামারী উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় শুক্র ও শনিবার পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ১৯ ও ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৯১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মবহির্ভূতভাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গারা পাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় নেওয়া ১৮টি প্রকল্পের বিল এক মাস আগে স্বাক্ষর হলেও এখন পর্যন্ত টাকা পাননি প্রকল্পের সভাপতিরা। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা আটকে রেখে সভাপতিদের ঘুরাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে