তিন দফা দাবিতে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করেন। পরে শিক্ষকদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নিয়ে চলে যান তাঁরা।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবিগুলো হলো—১. পরীক্ষার খাতা পুনঃ বিবেচনা করে নতুন রেজাল্ট দেওয়া, ২. দর্শন বিভাগের ১০০ নম্বরের পরীক্ষার ৮০ নম্বর লিখিত ও ২০ নম্বর ইনকোর্স থেকে রাখা ও ৩. প্রতিবছরের রেজাল্ট বিপর্যয়ের স্থায়ী সমাধান করা।
আন্দোলনকারী কবি নজরুল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী বলেন, ‘৪ ঘণ্টার পরীক্ষা ২ ঘণ্টায় নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওইভাবে বিবেচনা করা হয়নি। আমাদের কলেজে বাংলা বিভাগে ১৯০ জন পরীক্ষার্থী থেকে পাস করেছে মাত্র ৪ জন। আবার অনেক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর রেজাল্ট অনুপস্থিত এসেছে। প্রশাসন আমাদের কোনো দাবিই মানছে না। তাই আজ আমরা অবরোধ করেছি।’
এ সময় শিক্ষার্থীরা—‘আমাদের দাবি মানতে হবে’, ‘দাবি মোদের একটাই’, ‘উই ওয়ান্ট প্রমোশন’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে রাখায় রাস্তার তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে পথচারী ও গাড়িচালকদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
পরে আন্দোলন চলাকালে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষক এসে তাঁদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। আন্দোলনকারীরা তারপরও তাঁদের কর্মসূচি চালিয়ে যান। পরে দুপুর ১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টা ও শিক্ষকদের অনুরোধে আন্দোলনকারীরা নীলক্ষেত মোড় ত্যাগ করেন।

সমস্যা-সংকট সত্ত্বেও যশোরে বেড়েছে রেলের যাত্রী ও আয়। গত এক বছরে আড়াই লাখের বেশি অতিরিক্ত যাত্রী যশোর রেলওয়ে জংশন থেকে যাত্রা করেছে। এতে আয় বেড়েছে ৬ কোটি টাকা। এর আগের বছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চলে ২৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪৯ টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর প্রতিটিতে একজন সহকারী শিক্ষককে বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে প্রধান শিক্ষকের যাবতীয় কাজ করতে হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুরের জাজিরায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ২০২ কোটি টাকার তীর রক্ষা প্রকল্পের কয়েকটি স্থানে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে প্রকল্পের প্রায় ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভোলার মনপুরা উপজেলা রক্ষায় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বেড়িবাঁধ। সেই বাঁধেরও কয়েকটি স্থান ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাউবোর সঠিক তদারকির অভাব এবং সাব-ঠিকাদার দিয়ে নিম্নমানের কাজের কারণে বৃষ্টিতেই ধসে যাচ্ছে বেড়িবাঁধ।
২ ঘণ্টা আগে