নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং, মাস্টার রোল ও চুক্তিভিত্তিক (দৈনিক ও অন্যান্য) নিয়োগের নামে একটি গোষ্ঠী বাণিজ্যে নেমেছে বলে অভিযোগ তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।
‘সংবিধান লঙ্ঘন ও আদালত অবমাননা রোধে চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুরক্ষায়’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতারা।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মেহেদি হাসান।
লিখিত বক্তব্যে মেহেদি হাসান বলেন, বৈষম্য কমাতে চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে কোটা লেখা থাকলেও প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুভংকরের ফাঁকি আছে। কোটা পদ্ধতি রহিতের নামে সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নামে আউটসোর্সিং, মাস্টার রোল, চুক্তিভিত্তিক (দৈনিক ও অন্যান্য) নানা শিরোনামে একটি বিশেষ গোষ্ঠী নিয়োগ বাণিজ্য চালাচ্ছে যা সংবিধান বিরোধী ও বেআইনি।
মেহেদি হাসান আরও বলেন, ‘১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার ঘোষিত ৮০ শতাংশ আঞ্চলিক তথা জেলা কোটা এবং ২০ শতাংশ মেধা/সাধারণ কোটা ছিল। সেই কোটা বাস্তবায়নসহ পাবলিক সার্ভিস কমিশন কর্তৃক ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন মতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থেকে কোটা অনুসরণ করার দাবি জানাচ্ছি।’
সেই সঙ্গে কোনো একটি কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে অন্য প্রাধিকারভুক্ত কোটার প্রার্থী দিয়ে কোটা পূরণের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা পালনের আহ্বানও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবিসমূহ আদায়ে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম রেজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ অনেকেই।

সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং, মাস্টার রোল ও চুক্তিভিত্তিক (দৈনিক ও অন্যান্য) নিয়োগের নামে একটি গোষ্ঠী বাণিজ্যে নেমেছে বলে অভিযোগ তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।
‘সংবিধান লঙ্ঘন ও আদালত অবমাননা রোধে চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুরক্ষায়’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতারা।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মেহেদি হাসান।
লিখিত বক্তব্যে মেহেদি হাসান বলেন, বৈষম্য কমাতে চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে কোটা লেখা থাকলেও প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুভংকরের ফাঁকি আছে। কোটা পদ্ধতি রহিতের নামে সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নামে আউটসোর্সিং, মাস্টার রোল, চুক্তিভিত্তিক (দৈনিক ও অন্যান্য) নানা শিরোনামে একটি বিশেষ গোষ্ঠী নিয়োগ বাণিজ্য চালাচ্ছে যা সংবিধান বিরোধী ও বেআইনি।
মেহেদি হাসান আরও বলেন, ‘১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার ঘোষিত ৮০ শতাংশ আঞ্চলিক তথা জেলা কোটা এবং ২০ শতাংশ মেধা/সাধারণ কোটা ছিল। সেই কোটা বাস্তবায়নসহ পাবলিক সার্ভিস কমিশন কর্তৃক ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন মতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থেকে কোটা অনুসরণ করার দাবি জানাচ্ছি।’
সেই সঙ্গে কোনো একটি কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে অন্য প্রাধিকারভুক্ত কোটার প্রার্থী দিয়ে কোটা পূরণের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা পালনের আহ্বানও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবিসমূহ আদায়ে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম রেজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ অনেকেই।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৭ ঘণ্টা আগে