নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (বিডিইউ) বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির জন্য অন্যন্য এক আশীর্বাদ। এই মহান নেতার জন্ম না হলে কখনোই এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হতো না। তাঁর আজীবনের ত্যাগ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছে। একটি জাতির জন্য তাঁর মতো করে এমন ত্যাগ আর কেউ করতে পারেনি।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ, দুষ্কৃতকারীদের অপচেষ্টা কখনোই বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু আমাদের প্রেরণার উৎস। তাঁর কর্ম ও আদর্শ চিরকাল আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছর সময়ে বাংলাদেশকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে অর্থনীতির ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন জাতির পিতা। তিনি বেঁচে থাকলে আমরা অনেক আগেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হতাম। কিন্তু দেরিতে হলেও তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো.আশরাফ উদ্দিন, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মুহাম্মদ শাহীনূল কবীর, শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আশরাফুজ্জামান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত)ফারজানা আক্তার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামছুদ্দীন আহমেদ-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দদের উপস্থিতিতে জাতির পিতার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (বিডিইউ) বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির জন্য অন্যন্য এক আশীর্বাদ। এই মহান নেতার জন্ম না হলে কখনোই এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হতো না। তাঁর আজীবনের ত্যাগ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছে। একটি জাতির জন্য তাঁর মতো করে এমন ত্যাগ আর কেউ করতে পারেনি।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ, দুষ্কৃতকারীদের অপচেষ্টা কখনোই বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু আমাদের প্রেরণার উৎস। তাঁর কর্ম ও আদর্শ চিরকাল আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছর সময়ে বাংলাদেশকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে অর্থনীতির ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন জাতির পিতা। তিনি বেঁচে থাকলে আমরা অনেক আগেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হতাম। কিন্তু দেরিতে হলেও তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো.আশরাফ উদ্দিন, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মুহাম্মদ শাহীনূল কবীর, শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আশরাফুজ্জামান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত)ফারজানা আক্তার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামছুদ্দীন আহমেদ-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দদের উপস্থিতিতে জাতির পিতার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে