
তেজগাঁওয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী অ্যাডভোকেট ভুবন চন্দ্র শীলের মাথায় অপারেশন করে দুটি স্প্লিন্টার বের করা হয়েছে। কিন্তু অপারেশনের সাড়ে ১৬ ঘণ্টা পরও তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। এখনো লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার। ভুবনের স্ত্রী রত্না রানী শীল চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সাহায্যের আবেদনে করলেও কোনো সাড়া মিলছে না। এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে বলে জানান ভুবনের স্বজনেরা।
আজ শনিবার বিকেলে রত্নার ভাই পলাশ মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অপারেশনের পর এখনো জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তাঁর আরও কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। অবস্থার উন্নতি হয়নি।’
গতকাল শুক্রবার রাতে ভুবন চন্দ্রের মাথায় অপারেশন করা হয়েছে। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলেছে তাঁর অপারেশন। স্বামীর চিকিৎসায় রত্না রানী শীল আর্থিক সহায়তার দাবি জানালেও তাতে কেউ সাড়া দেয়নি।
ভুবনের স্ত্রী রত্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে কেউই সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেনি। চিকিৎসার খরচ মেটাতে ধারদেনা করছি। পাঁচ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে। এভাবে আর কত দিন চিকিৎসা ব্যয় চালাতে পারব তা জানি না।’
গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার সিটি পেট্রলপাম্প এবং বিজি প্রেসের মাঝের সড়ক দিয়ে ভাড়ার মোটরসাইকেলে চড়ে বাসায় যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন ভুবন। তাঁর মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায় গুলি। শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের করা গুলি লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে আহত হন ভুবন। তাঁকে প্রথমে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ভুবনকে রাজধানীর ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

৯ম শ্রেণির কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চাচাতো ভাই নাইমের। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নাইমের বাসায় কিশোরীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করে নাইম।
৭ মিনিট আগে
সিলেটের ওসমানীনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশাকে ‘আপা’ বলে সম্বোধন করে ক্ষমা চাওয়ার পর বনফুলের এক কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে অন্যায়ভাবে জরিমানা করা হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবক ওমর ফারুককে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পাঁচ নারী, দুই কিশোরসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত ওমর ফারুকের বাবার করা হত্যা মামলার পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
‘মানুষ বলে বিচার হবে না। ব্যাপারটা আমি ভালো বুঝি। আমাদের কাতারে যেসব পরিবার আসতেছে বিচারহীনতায় ভুগে, একমাত্র তারাই বুঝতে পারবে। এ ছাড়া কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়...
২৯ মিনিট আগে