নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান যে টিকেটিং সিস্টেম আছে, সেটাকে উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে জানানো হবে।’
আজ সোমবার দুপুরে কমলাপুর রেলস্টেশনে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘রেলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনে একটি ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সড়ক-রেল-নৌপথ সবকিছুকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া সমস্ত রেললাইনকে আমরা ব্রডগেজে রূপান্তর করছি। এরই মধ্যে আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত সেই কাজ চলমান আছে। বাকি রেলপথের ব্রডগেজে করার কাজ গুরুত্ব বিবেচনা করে শুরু করা হবে।’
উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-নোয়াখালী রুটে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন ১৯৮৬ সালে চালু করা হয়েছিল। এলাকাবাসী ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুরোধ ছিল এই ট্রেনের পুরোনো কোচ বদল করে নতুন কোচ দিয়ে চালানোর জন্য। কিন্তু তাদের সে অনুরোধ এখনই পুরোপুরি রাখতে পারছি না। বর্তমানে আমাদের নতুন কোনো কোচ নেই। ফলে সাদা চাইনিজ কোচ দিয়ে চালানো শুরু হলো। দেশে নতুন কোচ আসলে তখন নতুন কোচ দিয়ে চালানো হবে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন। আগে এই ট্রেনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোনো কোচ ছিল না, এখন যুক্ত করা হলো। ভবিষ্যতে নতুন কোচ যুক্ত হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনও যুক্ত করা হবে এই ট্রেনে।’
কী আছে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে
এসি চেয়ার আছে-০৬টি, গার্ড ব্রেক এবং খাবার গাড়িসহ এসি চেয়ার-০১টি, শোভন চেয়ার-০৭টি, গার্ড ব্রেক এবং খাবার গাড়ি সহ শোভন চেয়ার-০১টি, পাওয়ার কার-০১টি কোচ রয়েছে, মোট কোচ-১৬টি কোচ রয়েছে।
ট্রেনটিতে মোট ৭৮৯টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে এসি চেয়ার-৩৪৯টি, শোভন চেয়ার-৪৪০ টি।

রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান যে টিকেটিং সিস্টেম আছে, সেটাকে উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে জানানো হবে।’
আজ সোমবার দুপুরে কমলাপুর রেলস্টেশনে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘রেলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনে একটি ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সড়ক-রেল-নৌপথ সবকিছুকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া সমস্ত রেললাইনকে আমরা ব্রডগেজে রূপান্তর করছি। এরই মধ্যে আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত সেই কাজ চলমান আছে। বাকি রেলপথের ব্রডগেজে করার কাজ গুরুত্ব বিবেচনা করে শুরু করা হবে।’
উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-নোয়াখালী রুটে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন ১৯৮৬ সালে চালু করা হয়েছিল। এলাকাবাসী ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুরোধ ছিল এই ট্রেনের পুরোনো কোচ বদল করে নতুন কোচ দিয়ে চালানোর জন্য। কিন্তু তাদের সে অনুরোধ এখনই পুরোপুরি রাখতে পারছি না। বর্তমানে আমাদের নতুন কোনো কোচ নেই। ফলে সাদা চাইনিজ কোচ দিয়ে চালানো শুরু হলো। দেশে নতুন কোচ আসলে তখন নতুন কোচ দিয়ে চালানো হবে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন। আগে এই ট্রেনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোনো কোচ ছিল না, এখন যুক্ত করা হলো। ভবিষ্যতে নতুন কোচ যুক্ত হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনও যুক্ত করা হবে এই ট্রেনে।’
কী আছে আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে
এসি চেয়ার আছে-০৬টি, গার্ড ব্রেক এবং খাবার গাড়িসহ এসি চেয়ার-০১টি, শোভন চেয়ার-০৭টি, গার্ড ব্রেক এবং খাবার গাড়ি সহ শোভন চেয়ার-০১টি, পাওয়ার কার-০১টি কোচ রয়েছে, মোট কোচ-১৬টি কোচ রয়েছে।
ট্রেনটিতে মোট ৭৮৯টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে এসি চেয়ার-৩৪৯টি, শোভন চেয়ার-৪৪০ টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে