নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রোববার বেলা আড়াইটা। রাজধানীর ভাটারার কাছে ১০০ ফুট সাঈদনগর বালুর মাঠ গরুর হাট। চারপাশে সারি সারি গরু। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাটে ব্যাপারীদের কেউ ১০টি তুলেছেন, আবার কেউবা ১৫টি গরু। কিন্তু হাটের মাঝখানে ওয়াচ টাওয়ারের নিচে মাত্র একটি গরু দাঁড় করানো। আসা–যাওয়ার পথে দরদাম করছেন ক্রেতারা। কিন্তু মনমতো দাম না পাওয়ায় বিক্রি করছেন না কুষ্টিয়া থেকে আসা ব্যাপারী রফিকুল ইসলাম।
এত দূর থেকে তিনি একটিমাত্র গরু হাটে এনেছেন শুধু ঋণের টাকা শোধ করার জন্য। মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য গত বছর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ করেছিলেন। করোনার এই দুর্যোগে তা শোধ করতে পারছিলেন না। তাই শেষ ভরসা নিজের গোয়ালের গরু। সেটা নিয়েই হাজির হয়েছেন সাঈদনগর হাটে।
আজকের পত্রিকার সঙ্গে আলাপে রফিক জানান, কৃষিকাজ করে যে আয় হয়, তা পরিবারের ভরণপোষণেই চলে যায়। ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য চাপের মধ্যে রয়েছেন অনেক দিন। কিছুতেই টাকার ব্যবস্থা করতে পারছিলেন না। তাই বাধ্য হয়ে গোয়ালে থাকা গরু নিয়ে চলে এসেছেন ঢাকায়।
চার দিন আগে সাঈদনগর হাটে লাল রঙের এই গরুটি তুলেছেন রফিক। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম না মেলায় বিক্রি করতে পারছেন না। রফিক বলেন, ‘এলাকার আরও কয়েকজনের সঙ্গে আসছি। তারা একেকজন চার-পাঁচটা করে আনছে। সঙ্গে আমারটাও উঠাইছি।’
‘হাটে আনার পর সবাই দাম জিজ্ঞেস করে। কেউ ভালো দাম বলে না। গরু বিক্রি করার ইচ্ছা ছিল না। এই গরুটা আমার নিজের বাড়ির। অনেক যত্ন করে পালছি। কিন্তু মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সময় টাকা ধার করছিলাম ১ লাখ ২০ হাজার। সংসারের টানাটানি। যে কাজ করি সেটার টাকা দিয়া ধার শোধ কইরবার পারি নাই। তাই গরুটা নিয়া আসছি।’
ক্রেতারা দাম জিজ্ঞেস করলে গরুটি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন রফিক। রোববার সকাল থেকে অন্তত ২০ জন ক্রেতা দরদাম করেছেন। কিন্তু বিক্রি করতে পারছেন না। রফিক বলেন, ‘গরুটা সবাই দেখে পছন্দ করতেছে। কিন্তু কেউ ১ লাখ টাকা বলে আবার কেউ ১ লাখ ১০ হাজার পর্যন্ত দাম বলে। আমি ১ লাখ ৪০-৫০ হাজার টাকা হইলে বিক্রি করে দিব। ধারের টাকা দিয়া যা থাকে।’

রোববার বেলা আড়াইটা। রাজধানীর ভাটারার কাছে ১০০ ফুট সাঈদনগর বালুর মাঠ গরুর হাট। চারপাশে সারি সারি গরু। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাটে ব্যাপারীদের কেউ ১০টি তুলেছেন, আবার কেউবা ১৫টি গরু। কিন্তু হাটের মাঝখানে ওয়াচ টাওয়ারের নিচে মাত্র একটি গরু দাঁড় করানো। আসা–যাওয়ার পথে দরদাম করছেন ক্রেতারা। কিন্তু মনমতো দাম না পাওয়ায় বিক্রি করছেন না কুষ্টিয়া থেকে আসা ব্যাপারী রফিকুল ইসলাম।
এত দূর থেকে তিনি একটিমাত্র গরু হাটে এনেছেন শুধু ঋণের টাকা শোধ করার জন্য। মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য গত বছর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ করেছিলেন। করোনার এই দুর্যোগে তা শোধ করতে পারছিলেন না। তাই শেষ ভরসা নিজের গোয়ালের গরু। সেটা নিয়েই হাজির হয়েছেন সাঈদনগর হাটে।
আজকের পত্রিকার সঙ্গে আলাপে রফিক জানান, কৃষিকাজ করে যে আয় হয়, তা পরিবারের ভরণপোষণেই চলে যায়। ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য চাপের মধ্যে রয়েছেন অনেক দিন। কিছুতেই টাকার ব্যবস্থা করতে পারছিলেন না। তাই বাধ্য হয়ে গোয়ালে থাকা গরু নিয়ে চলে এসেছেন ঢাকায়।
চার দিন আগে সাঈদনগর হাটে লাল রঙের এই গরুটি তুলেছেন রফিক। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম না মেলায় বিক্রি করতে পারছেন না। রফিক বলেন, ‘এলাকার আরও কয়েকজনের সঙ্গে আসছি। তারা একেকজন চার-পাঁচটা করে আনছে। সঙ্গে আমারটাও উঠাইছি।’
‘হাটে আনার পর সবাই দাম জিজ্ঞেস করে। কেউ ভালো দাম বলে না। গরু বিক্রি করার ইচ্ছা ছিল না। এই গরুটা আমার নিজের বাড়ির। অনেক যত্ন করে পালছি। কিন্তু মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সময় টাকা ধার করছিলাম ১ লাখ ২০ হাজার। সংসারের টানাটানি। যে কাজ করি সেটার টাকা দিয়া ধার শোধ কইরবার পারি নাই। তাই গরুটা নিয়া আসছি।’
ক্রেতারা দাম জিজ্ঞেস করলে গরুটি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন রফিক। রোববার সকাল থেকে অন্তত ২০ জন ক্রেতা দরদাম করেছেন। কিন্তু বিক্রি করতে পারছেন না। রফিক বলেন, ‘গরুটা সবাই দেখে পছন্দ করতেছে। কিন্তু কেউ ১ লাখ টাকা বলে আবার কেউ ১ লাখ ১০ হাজার পর্যন্ত দাম বলে। আমি ১ লাখ ৪০-৫০ হাজার টাকা হইলে বিক্রি করে দিব। ধারের টাকা দিয়া যা থাকে।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
২৪ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
৩৪ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে