উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রাজধানীর উত্তরায় উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাস্ক ও পানি বিতরণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা এবং পরীক্ষার্থীদের আসন খুঁজে বের করতেও সহযোগিতা করেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরুর পূর্বমুহূর্তে দক্ষিণখান শিক্ষা কমপ্লেক্সের এস এম মোজাম্মেল হক টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে এই সহযোগিতা দিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়াও উত্তরার উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, নওয়াব হাবিবুল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজসহ ১৮টি এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুলিশ সহায়তা ক্যাম্প' খুলে সহযোগিতা করেছে ডিএমপির উত্তরা বিভাগ।
এদিকে পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকেরা। তাঁরা বলেন, পূর্বের পুলিশিং এবং বর্তমান পুলিশিংয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। আগে পুলিশ ছিল আতঙ্কের নাম। কিন্তু বর্তমানে পুলিশ বিপদে-আপদে সহযোগিতার নাম।
এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মামুনুর রহমান বলেন, 'করোনা মহামারির পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তাই করোনা রোধে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ স্যারের নির্দেশে আমরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পুলিশ সহায়তা ক্যাম্প খুলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও পানি বিতরণ করেছি। সেই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের আসন খুঁজে বের করার কাজেও সহায়তা করা হয়েছে।'
মুহাম্মদ মামুনুর রহমান আরও বলেন, উত্তরা বিভাগের ১৮টি এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রাজধানীর উত্তরায় উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাস্ক ও পানি বিতরণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা এবং পরীক্ষার্থীদের আসন খুঁজে বের করতেও সহযোগিতা করেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরুর পূর্বমুহূর্তে দক্ষিণখান শিক্ষা কমপ্লেক্সের এস এম মোজাম্মেল হক টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে এই সহযোগিতা দিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়াও উত্তরার উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, নওয়াব হাবিবুল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজসহ ১৮টি এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুলিশ সহায়তা ক্যাম্প' খুলে সহযোগিতা করেছে ডিএমপির উত্তরা বিভাগ।
এদিকে পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকেরা। তাঁরা বলেন, পূর্বের পুলিশিং এবং বর্তমান পুলিশিংয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। আগে পুলিশ ছিল আতঙ্কের নাম। কিন্তু বর্তমানে পুলিশ বিপদে-আপদে সহযোগিতার নাম।
এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মামুনুর রহমান বলেন, 'করোনা মহামারির পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তাই করোনা রোধে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ স্যারের নির্দেশে আমরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পুলিশ সহায়তা ক্যাম্প খুলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও পানি বিতরণ করেছি। সেই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের আসন খুঁজে বের করার কাজেও সহায়তা করা হয়েছে।'
মুহাম্মদ মামুনুর রহমান আরও বলেন, উত্তরা বিভাগের ১৮টি এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে