নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদের সালামির নামে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন দুই যুবক। পরে জানা যায়, তাঁদের একজন এক পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি। অপরজনের নামে অস্ত্র মামলা রয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে মিরপুর মডেল থানার বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
জানা গেছে, তাঁরা এক বিচারকের বাসায় ‘ঈদ সালামি’ নিতে গিয়েছিলেন। সালামি না দিলে ‘সমস্যা হবে’ বলেও হুমকি দেন তাঁরা।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শাকিল আহমেদ (৩০) ও মো. আশফাকুর রহমান সজীব (২৮)। শাকিল ২০১৬ সালে এক পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিকেলে তাঁদের আদালতে হাজির করে মিরপুর থানা-পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন খান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে তাঁদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শাকিল ও আশফাক মিরপুর এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। তাঁরা ঈদ সালামির নামে বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকায় চাঁদাবাজি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ‘সমস্যা হবে’ বলেও হুমকি দেন।
গতকাল সোমবার বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকায় এক অতিরিক্ত জেলা জজের বাসার নিচে এসে নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে ঈদ সালামি দাবি করেন এই দুজন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় রক্ষীকে ভয়ভীতি দেখান, মারধর করার চেষ্টা করেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ঘটনাটি জানালে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মিরপুর মডেল থানার এসআই মো. আমিনুল হক দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন।
উল্লেখ্য, আসামি শাকিলের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। আসামি আশফাকুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাসহ দুটি মামলা রয়েছে।

ঈদের সালামির নামে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন দুই যুবক। পরে জানা যায়, তাঁদের একজন এক পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি। অপরজনের নামে অস্ত্র মামলা রয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে মিরপুর মডেল থানার বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
জানা গেছে, তাঁরা এক বিচারকের বাসায় ‘ঈদ সালামি’ নিতে গিয়েছিলেন। সালামি না দিলে ‘সমস্যা হবে’ বলেও হুমকি দেন তাঁরা।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শাকিল আহমেদ (৩০) ও মো. আশফাকুর রহমান সজীব (২৮)। শাকিল ২০১৬ সালে এক পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিকেলে তাঁদের আদালতে হাজির করে মিরপুর থানা-পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন খান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে তাঁদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শাকিল ও আশফাক মিরপুর এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। তাঁরা ঈদ সালামির নামে বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকায় চাঁদাবাজি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ‘সমস্যা হবে’ বলেও হুমকি দেন।
গতকাল সোমবার বড়বাগ বসতি আবাসিক এলাকায় এক অতিরিক্ত জেলা জজের বাসার নিচে এসে নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে ঈদ সালামি দাবি করেন এই দুজন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় রক্ষীকে ভয়ভীতি দেখান, মারধর করার চেষ্টা করেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ঘটনাটি জানালে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মিরপুর মডেল থানার এসআই মো. আমিনুল হক দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন।
উল্লেখ্য, আসামি শাকিলের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। আসামি আশফাকুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাসহ দুটি মামলা রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে