নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
২০২৪ সালের ২৭ জুলাই রাজধানীর পল্টন মোড়ে কারফিউ ভেঙে ‘হামার বেটাক মারলু ক্যানে’ শীর্ষক নারীদের যে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছিল, তার বর্ষপূর্তি স্মরণে এবার শাহবাগে তিন দফা দাবিতে নারী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সমাবেশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেল ৫টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় বাম নারী সংগঠন, স্বতন্ত্র অধিকারকর্মী এবং প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নারীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন যার মধ্যে রয়েছে: তথ্য আপা প্রকল্পে কর্মরত নারীদের চাকরি দ্রুত রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা, কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ ও লে. ফেরদৌসসহ অভিযুক্তদের বিচার। এ ছাড়া সমাবেশে উপস্থিত নারীরা পাহাড় ও সমতলের নারী ধর্ষণ, নিপীড়ন, ও মবসন্ত্রাসের বিচার এবং কারাগারে আটক সব বম নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।
সমাবেশে নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত বলেন, ‘গত বছরের ২৭ জুলাই নারীরা কারফিউ ভেঙে যে সাহসিকতা দেখিয়েছিল, আমরা সেই ঐতিহাসিক ঘটনার এক বছর পূর্তিতে আবারও দাঁড়িয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা দেখছি যারা গণ-অভ্যুত্থানের সরকার দাবি করে তারাও পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের পথই অনুসরণ করছে। নারী নিপীড়ন, ধর্মের নামে সংখ্যালঘু নির্যাতন সবই আবার শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ ভেবেছিল সরকার বদলালে শ্বাস ফেলার জায়গা পাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো; শুধু সরকার বদলেছে, বাস্তবতা বদলায়নি।’
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট দীপাবলি। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, আমরা ভেবেছিলাম তা এবার বদলাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো; শুধু সরকার গেছে, নীতিগত কিছুই পরিবর্তন হয়নি।’
এ সময় পাহাড়ি আদিবাসী নারী সংগঠন, বাম ছাত্র সংগঠনসহ একাধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করেন।

২০২৪ সালের ২৭ জুলাই রাজধানীর পল্টন মোড়ে কারফিউ ভেঙে ‘হামার বেটাক মারলু ক্যানে’ শীর্ষক নারীদের যে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছিল, তার বর্ষপূর্তি স্মরণে এবার শাহবাগে তিন দফা দাবিতে নারী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সমাবেশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেল ৫টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় বাম নারী সংগঠন, স্বতন্ত্র অধিকারকর্মী এবং প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নারীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন যার মধ্যে রয়েছে: তথ্য আপা প্রকল্পে কর্মরত নারীদের চাকরি দ্রুত রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা, কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ ও লে. ফেরদৌসসহ অভিযুক্তদের বিচার। এ ছাড়া সমাবেশে উপস্থিত নারীরা পাহাড় ও সমতলের নারী ধর্ষণ, নিপীড়ন, ও মবসন্ত্রাসের বিচার এবং কারাগারে আটক সব বম নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।
সমাবেশে নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত বলেন, ‘গত বছরের ২৭ জুলাই নারীরা কারফিউ ভেঙে যে সাহসিকতা দেখিয়েছিল, আমরা সেই ঐতিহাসিক ঘটনার এক বছর পূর্তিতে আবারও দাঁড়িয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা দেখছি যারা গণ-অভ্যুত্থানের সরকার দাবি করে তারাও পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের পথই অনুসরণ করছে। নারী নিপীড়ন, ধর্মের নামে সংখ্যালঘু নির্যাতন সবই আবার শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ ভেবেছিল সরকার বদলালে শ্বাস ফেলার জায়গা পাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো; শুধু সরকার বদলেছে, বাস্তবতা বদলায়নি।’
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট দীপাবলি। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, আমরা ভেবেছিলাম তা এবার বদলাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো; শুধু সরকার গেছে, নীতিগত কিছুই পরিবর্তন হয়নি।’
এ সময় পাহাড়ি আদিবাসী নারী সংগঠন, বাম ছাত্র সংগঠনসহ একাধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে