নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৫৩ জন। গতকাল রোগী সংখ্যা ছিল ৪৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ১১ দিনে ৩৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন ৭২৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫৩৬ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ১৮৯ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন একজন।
রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই এডিস বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তাদের পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলছে মশক নিধন অভিযানও। রাজধানীর মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। খোলা মাঠে, নির্মাণাধীন ভবন, অফিস, বাসা বাড়ি কিংবা কোথাও যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে মাত্র একদিনের মধ্যে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজধানীসহ সারা দেশে করোনার রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যদি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এ জন্য নাগরিকদের সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনকে মশক বিরোধী অভিযান বাড়াতে হবে।
গতকাল ডেঙ্গু মশার ভয়াবহ উপদ্রব ও আশঙ্কাজনকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল ইসলাম। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ডেঙ্গু দমনে ব্যর্থতার কারণে বিগত দিনের চেয়েও দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির মুখে দেশবাসী।

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৫৩ জন। গতকাল রোগী সংখ্যা ছিল ৪৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ১১ দিনে ৩৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন ৭২৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫৩৬ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ১৮৯ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন একজন।
রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই এডিস বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তাদের পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলছে মশক নিধন অভিযানও। রাজধানীর মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। খোলা মাঠে, নির্মাণাধীন ভবন, অফিস, বাসা বাড়ি কিংবা কোথাও যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে মাত্র একদিনের মধ্যে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজধানীসহ সারা দেশে করোনার রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যদি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এ জন্য নাগরিকদের সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনকে মশক বিরোধী অভিযান বাড়াতে হবে।
গতকাল ডেঙ্গু মশার ভয়াবহ উপদ্রব ও আশঙ্কাজনকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল ইসলাম। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ডেঙ্গু দমনে ব্যর্থতার কারণে বিগত দিনের চেয়েও দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির মুখে দেশবাসী।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে