নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রায় আড়াই মাস আগে অপহৃত হয় দক্ষিণখান গার্লস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৫)। তাকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেছে তারা।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে রিয়াকে উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রিয়ার বাবা শফিউল ইসলাম বলেন, ‘গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে আমার মেয়ে রিয়া আক্তার (১৫) স্কুলে যায়। সে দক্ষিণখান গার্লস স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সেদিন স্কুল শেষ হলেও বাসায় ফেরেনি সে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও সে বাসায় না আসায় স্কুলের সামনে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমার মেয়েকে স্কুলের সামনে থেকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেছে।’
শফিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় গত ১ মার্চ দক্ষিণখান থানায় মামলা করি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি পুলিশ। বারবার দক্ষিণখান থানার পুলিশের শরণাপন্ন হলেও তাঁদের তেমন কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
রিয়া আক্তারের বাবা দাবি করেন, সুজন মিয়া নামের স্থানীয় এক ভাড়াটিয়া বেশ কিছুদিন ধরে রিয়াকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। প্রেম নিবেদন না করলে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। রিয়া অপহৃত হওয়ার পর সুজন মিয়ার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তার মোবাইলে ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সুজন যে বাসায় ভাড়া থাকে, ওই ঘটনার পর থেকে সুজন ওই বাসায় আর যায়নি।
অভিযুক্ত সুজনের তিনটি সন্তান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে আমি আমার মেয়েকে উদ্ধারের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এছাড়া এই অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে রিয়া আক্তারের মা, তার চাচা ও মামা উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় আড়াই মাস আগে অপহৃত হয় দক্ষিণখান গার্লস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৫)। তাকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেছে তারা।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে রিয়াকে উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রিয়ার বাবা শফিউল ইসলাম বলেন, ‘গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে আমার মেয়ে রিয়া আক্তার (১৫) স্কুলে যায়। সে দক্ষিণখান গার্লস স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সেদিন স্কুল শেষ হলেও বাসায় ফেরেনি সে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও সে বাসায় না আসায় স্কুলের সামনে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমার মেয়েকে স্কুলের সামনে থেকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেছে।’
শফিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় গত ১ মার্চ দক্ষিণখান থানায় মামলা করি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি পুলিশ। বারবার দক্ষিণখান থানার পুলিশের শরণাপন্ন হলেও তাঁদের তেমন কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
রিয়া আক্তারের বাবা দাবি করেন, সুজন মিয়া নামের স্থানীয় এক ভাড়াটিয়া বেশ কিছুদিন ধরে রিয়াকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। প্রেম নিবেদন না করলে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। রিয়া অপহৃত হওয়ার পর সুজন মিয়ার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তার মোবাইলে ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সুজন যে বাসায় ভাড়া থাকে, ওই ঘটনার পর থেকে সুজন ওই বাসায় আর যায়নি।
অভিযুক্ত সুজনের তিনটি সন্তান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে আমি আমার মেয়েকে উদ্ধারের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এছাড়া এই অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে রিয়া আক্তারের মা, তার চাচা ও মামা উপস্থিত ছিলেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে