নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে অপসারিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা স্বপদে বহালের দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল সোমবার দুপুরে ‘বাংলাদেশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অপসারিত ভাইস চেয়ারম্যানরা এ দাবি জানান।
এর আগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার ক্ষমতায় আসার ১০ দিনের মাথায় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচিত সব উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা বলেন, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও ভাইস চেয়ারম্যানরা নিয়মিত অফিস করেছেন। কারণ, ভাইস চেয়ারম্যানরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। তারপরও কেন তাঁদের অপসারণ করা হলো? শুধু তা-ই নয়, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কাউন্সিলররা, জেলা পরিষদের সদস্যরা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বাররা স্বপদে বহাল আছেন। সেখানে তাঁদের কেন স্বপদে বহাল থাকতে দেওয়া হলো না?
ভাইস চেয়ারম্যানরা আরও বলেন, বৈষম্যবিবোধী ছাত্র আন্দোলনে তাঁদের ভাই, বোন, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। বৈষম্য দূরীকরণের জন্য আন্দোলন করে নতুন স্বাধীনতা এসেছে। সেখানে আজ তারাই বৈষম্যের শিকার! মানসিক ও সামাজিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত তাঁরা।
এ সময় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা পারভীন শ্যামলী বলেন, ‘আমরা আইনি লড়াইয়ে যাব না। আমাদের বিশ্বাস, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের দাবি মেনে নেবেন।’

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে অপসারিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা স্বপদে বহালের দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল সোমবার দুপুরে ‘বাংলাদেশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অপসারিত ভাইস চেয়ারম্যানরা এ দাবি জানান।
এর আগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার ক্ষমতায় আসার ১০ দিনের মাথায় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচিত সব উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা বলেন, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও ভাইস চেয়ারম্যানরা নিয়মিত অফিস করেছেন। কারণ, ভাইস চেয়ারম্যানরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। তারপরও কেন তাঁদের অপসারণ করা হলো? শুধু তা-ই নয়, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কাউন্সিলররা, জেলা পরিষদের সদস্যরা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বাররা স্বপদে বহাল আছেন। সেখানে তাঁদের কেন স্বপদে বহাল থাকতে দেওয়া হলো না?
ভাইস চেয়ারম্যানরা আরও বলেন, বৈষম্যবিবোধী ছাত্র আন্দোলনে তাঁদের ভাই, বোন, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। বৈষম্য দূরীকরণের জন্য আন্দোলন করে নতুন স্বাধীনতা এসেছে। সেখানে আজ তারাই বৈষম্যের শিকার! মানসিক ও সামাজিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত তাঁরা।
এ সময় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা পারভীন শ্যামলী বলেন, ‘আমরা আইনি লড়াইয়ে যাব না। আমাদের বিশ্বাস, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের দাবি মেনে নেবেন।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৪ ঘণ্টা আগে