ঢাবি প্রতিনিধি

র্যাগ ডে নিষিদ্ধ করার পর এবার শিক্ষা সমাপনী উৎসবের জন্য আটটি নিয়ম চূড়ান্ত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম (সিন্ডিকেট)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে র্যাগ ডে অনুষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। পরে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটি নয়টি নীতিমালা তৈরি করে সিন্ডিকেটে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করে।
নিয়মগুলো হলো-র্যাগ ডে’র পরিবর্তে একদিনের এ অনুষ্ঠানটির নামকরণ হবে ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’; সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং ছাত্র উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সভা করে অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করবে, স্ব-স্ব বিভাগ/ইনস্টিটিউটের ভবন চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা যাবে; ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) সমবেত হয়ে পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রেখে র্যালি করা যাবে; ক্লাস চলাকালে উচ্চ স্বরে বাদ্য-বাজনা পরিহার করতে হবে; বিভাগের/ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্টতায় দুপুরে অথবা রাতে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা যাবে; শিক্ষা সমাপনী উৎসবের দিন রাত ১০টার মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘র্যাগ ডে নিষিদ্ধের পর আমরা আটটি নিয়ম সংবলিত একটি নীতিমালা উপস্থাপন করেছি, সেটি সিন্ডিকেট চূড়ান্ত করে। র্যাগ ডে’র পরিবর্তে অনুষ্ঠানের নাম হবে “শিক্ষা সমাপনী উৎসব”।’

র্যাগ ডে নিষিদ্ধ করার পর এবার শিক্ষা সমাপনী উৎসবের জন্য আটটি নিয়ম চূড়ান্ত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম (সিন্ডিকেট)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে র্যাগ ডে অনুষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। পরে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটি নয়টি নীতিমালা তৈরি করে সিন্ডিকেটে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করে।
নিয়মগুলো হলো-র্যাগ ডে’র পরিবর্তে একদিনের এ অনুষ্ঠানটির নামকরণ হবে ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’; সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং ছাত্র উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সভা করে অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করবে, স্ব-স্ব বিভাগ/ইনস্টিটিউটের ভবন চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা যাবে; ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) সমবেত হয়ে পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রেখে র্যালি করা যাবে; ক্লাস চলাকালে উচ্চ স্বরে বাদ্য-বাজনা পরিহার করতে হবে; বিভাগের/ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্টতায় দুপুরে অথবা রাতে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা যাবে; শিক্ষা সমাপনী উৎসবের দিন রাত ১০টার মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘র্যাগ ডে নিষিদ্ধের পর আমরা আটটি নিয়ম সংবলিত একটি নীতিমালা উপস্থাপন করেছি, সেটি সিন্ডিকেট চূড়ান্ত করে। র্যাগ ডে’র পরিবর্তে অনুষ্ঠানের নাম হবে “শিক্ষা সমাপনী উৎসব”।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে