নতুন জঙ্গি সংগঠন তাওহীদুল উলূহিয়্যাহর (আল-জিহাদি) এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। তাঁর নাম বাঁধন হোসেন (২৮)। তিনি ওই সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য। এ নিয়ে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করল এটিইউ।
আজ শনিবার এটিইউর পুলিশ সুপার (অপারেশনস) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল মোল্লাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের রামপাল থেকে ও পরদিন রুহুলকে জয়পুর জেলার আক্কেলপুর থেকে এবং গাজিউল ইসলাম নামে অপর একজনকে ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভাষানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন তাঁদের কাছ থেকে সংগঠনের আটটি পতাকাসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর পল্লবী এলাকা থেকে বাঁধন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় বাগেরহাটের রামপাল থানার একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সে এই সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার বাধঁনসহ অন্যান্যরা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য এবং তাঁদের সমমনা বা মতাদর্শে বিশ্বাসী বেশ কিছু সদস্য নিয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠন তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (আল-জিহাদি) গঠন করে। তাঁরা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে উগ্রবাদী অডিও, ভিডিও আপলোড ও শেয়ার করে গণতন্ত্র উৎখাতের চেষ্টা ও দেশব্যাপী নাশকতার পরিকল্পনার জন্য সদস্য সংগ্রহ করে আসছিল।’

শিশুটি বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে মারধর ও কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বাবা-মাকে জানালে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
২৩ মিনিট আগে
বহরমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন মাস্টারের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে মিশুক গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও গরুটির মালিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁদের মধ্যে একজন দৌড়ে পালিয়ে যান।
২৭ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা মেরামত করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে তাঁকে ও তাঁর রিকশাকে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়ি থেকে কয়েকজন যুবক নেমে ওই রিকশাচালককে মারধর শুরু করেন।
৩৬ মিনিট আগে
ভোলার চরফ্যাশনের জেলেদের জালে নদী ও সাগরে একসময় ধরা পড়ত প্রচুর মাছ। মাছ বিক্রি করেই চলত হাজারো জেলে পরিবারের সংসার। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মাছ না পাওয়ায় কমেছে জেলেদের আয়। অথচ ট্রলার, জাল, জ্বালানি, খাবার ও সংসারের খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে