
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্রেপ্তার হওয়া জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুই সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আক্তারুজ্জামান ভুঁইয়া এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণাকালে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই জেএমবি সদস্য হলেন বরগুনা জেলার বান্দরগাছিয়া এলাকার আব্দুল রহিম আকন্দের ছেলে তানভীর ওরফে আবীর ওরফে মেহেদী ওরফে মুশফিক (৪৬) এবং অপর সদস্য রংপুর জেলার মাহিগঞ্জ এলাকার কাশেম আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ওরফে বাদল (৪৩)।
রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রশিদ। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দায়ের করা একটি মামলায় জেএমবির দুই সদস্যকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাঁদের কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে এনে রায়ের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি বিউটি আক্তার বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে র্যাব-১১–এর সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপগঞ্জের আড়িয়াবো এলাকায় অভিযান চালান। সেখানে জেএমবি সদস্যরা অপতৎপরতা চালানোর জন্য অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁরা নিজেদের জেএমবির শুরা সদস্য পরিচয় স্বীকার করে। দুজনের মধ্যে তানভীর বিভিন্ন নাশকতা কার্যক্রমের মূল পরিকল্পনাকারী এবং জহুরুল নারায়ণগঞ্জ জেএমবির দায়িত্বশীল নেতা।
ওই ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আজকে আসামিদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
২৯ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৫ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে