সাইফুল মাসুম, ঢাকা

ভেঙে ফেলা হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি গুলশান পৌরসভা ভবন। গুলশান পৌরসভার ভবন ভেঙে ১ বিঘা ৩ কাঠা আয়তনের জায়গাটিতে তৈরি করা হবে মেয়র হাউস। যেখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র বসবাস করবেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থাপনাটি না ভেঙে সংরক্ষণ করা যেত। পুরোনো ভবন ভেঙে মেয়র হাউস করার খুব বেশি যৌক্তিকতা নেই।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি আগে গুলশান পৌর ভবন ছিল। এখন আর কোনো কাজে লাগছে না। তাই এটি ভেঙে মেয়রের হাউস তৈরি করা হচ্ছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভবনটি ১৯৮২ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে গুলশান পৌরসভা ভবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এটি রাজধানীর গুলশান-২ এর ৯০ নম্বর রোডে অবস্থিত।
ডিএনসিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে ভবনটি ৯ নম্বর জোনের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ২০১১ সালে ঢাকাকে দুই সিটি করপোরেশনে বিভক্তির পর ঢাকা উত্তর সিটির ৩ নম্বর জোন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে রাজস্ব ও আইন কর্মকর্তার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো ভবনটি। সম্প্রতি দুটি বিভাগকে গুলশানের ৪৬ নম্বর রোডের প্রধান কার্যালয়ের ৬ষ্ঠ তলায় স্থানান্তর করা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুলশান পৌরসভা ভবনের বড় অংশ এরই মধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে একটি রুমের সামনে এখনো ঝুলছে ডিএনসিসির উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মৃধার নামফলক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এই রাজস্ব কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি ৬ মাস আগেও সেখানে ছিলাম। এরপর জানলাম এটি ভেঙে ফেলা হবে। তখন আমাদের নগর ভবনের ৬ তলায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।’
ভবনটি মার্চ মাসে আল মুজাদ্দিয়া এন্টারপ্রাইজের কাছে বিক্রি করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ভবনটি ক্রয় করে তারা। এ বিষয়ে আল মুজাদ্দিয়া এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা মার্চ মাসে ভবনটি সিটি করপোরেশন থেকে ক্রয় করেছি। ৪ জুন থেকে আমরা ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু করি।’
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম বলেন, ‘মেয়র হাউস তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য ডিএনসিসির প্রকৌশল বিভাগ কাজ করছে।’
এদিকে মেয়রের জন্য আলাদা বাসভবন তৈরি করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানান নগরবিদ ও স্থপতি ইকবাল হাবিব। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংসদ ভবনের পাশে সংসদ সদস্যদের থাকার জায়গা করা হয়েছে। কারণ, তারা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে, তাদের থাকার জায়গা নেই। গণভবন বা বঙ্গভবন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রীরাও বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে, সে কারণেও তাদের বাসভবন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু মেয়রেরা কোনো ভাবেই অন্য অঞ্চলের মানুষ হতে পারে না। স্থানীয় বলেই সে মেয়র হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। ফলে সে জায়গায় মেয়রের জন্য আলাদা বাসভবন তৈরির কোনো প্রয়োজনীয়তাই নেই। বরং সে জায়গায় গণমানুষের মিলন কেন্দ্র, তাদের সেবার কেন্দ্র তৈরি করা অতি প্রয়োজনীয় বলে আমি মনে করি।’

ভেঙে ফেলা হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি গুলশান পৌরসভা ভবন। গুলশান পৌরসভার ভবন ভেঙে ১ বিঘা ৩ কাঠা আয়তনের জায়গাটিতে তৈরি করা হবে মেয়র হাউস। যেখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র বসবাস করবেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থাপনাটি না ভেঙে সংরক্ষণ করা যেত। পুরোনো ভবন ভেঙে মেয়র হাউস করার খুব বেশি যৌক্তিকতা নেই।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি আগে গুলশান পৌর ভবন ছিল। এখন আর কোনো কাজে লাগছে না। তাই এটি ভেঙে মেয়রের হাউস তৈরি করা হচ্ছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভবনটি ১৯৮২ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে গুলশান পৌরসভা ভবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এটি রাজধানীর গুলশান-২ এর ৯০ নম্বর রোডে অবস্থিত।
ডিএনসিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে ভবনটি ৯ নম্বর জোনের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ২০১১ সালে ঢাকাকে দুই সিটি করপোরেশনে বিভক্তির পর ঢাকা উত্তর সিটির ৩ নম্বর জোন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে রাজস্ব ও আইন কর্মকর্তার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো ভবনটি। সম্প্রতি দুটি বিভাগকে গুলশানের ৪৬ নম্বর রোডের প্রধান কার্যালয়ের ৬ষ্ঠ তলায় স্থানান্তর করা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুলশান পৌরসভা ভবনের বড় অংশ এরই মধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে একটি রুমের সামনে এখনো ঝুলছে ডিএনসিসির উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মৃধার নামফলক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এই রাজস্ব কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি ৬ মাস আগেও সেখানে ছিলাম। এরপর জানলাম এটি ভেঙে ফেলা হবে। তখন আমাদের নগর ভবনের ৬ তলায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।’
ভবনটি মার্চ মাসে আল মুজাদ্দিয়া এন্টারপ্রাইজের কাছে বিক্রি করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ভবনটি ক্রয় করে তারা। এ বিষয়ে আল মুজাদ্দিয়া এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা মার্চ মাসে ভবনটি সিটি করপোরেশন থেকে ক্রয় করেছি। ৪ জুন থেকে আমরা ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু করি।’
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম বলেন, ‘মেয়র হাউস তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য ডিএনসিসির প্রকৌশল বিভাগ কাজ করছে।’
এদিকে মেয়রের জন্য আলাদা বাসভবন তৈরি করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানান নগরবিদ ও স্থপতি ইকবাল হাবিব। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংসদ ভবনের পাশে সংসদ সদস্যদের থাকার জায়গা করা হয়েছে। কারণ, তারা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে, তাদের থাকার জায়গা নেই। গণভবন বা বঙ্গভবন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রীরাও বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে, সে কারণেও তাদের বাসভবন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু মেয়রেরা কোনো ভাবেই অন্য অঞ্চলের মানুষ হতে পারে না। স্থানীয় বলেই সে মেয়র হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। ফলে সে জায়গায় মেয়রের জন্য আলাদা বাসভবন তৈরির কোনো প্রয়োজনীয়তাই নেই। বরং সে জায়গায় গণমানুষের মিলন কেন্দ্র, তাদের সেবার কেন্দ্র তৈরি করা অতি প্রয়োজনীয় বলে আমি মনে করি।’

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
২ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
২ ঘণ্টা আগে