নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির প্রধান ফটকের সামনের দৃশ্য। ইফতারের সময়ের আগে আগে সারি দিয়ে রাখা হচ্ছে ইফতারসামগ্রী। সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে সারি বেঁধে বসে যাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। সময় হতেই মুখে তুলে নিলেন পানি ও খাবার।
জানা গেল, পথশিশু, রিকশাচালক, হকার, ভ্যানচালকসহ শ্রমজীবী এবং সহায়হীন মানুষ ইফতারে মিলিত হন এখানে। অনেকে অংশ নেন সেহরিতেও। উদ্যোগটি বেসরকারি সংগঠন ‘জুম বাংলাদেশ’-এর।
জুম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো. শাহীন প্রধান জানিয়েছেন, এই আয়োজন সফল করতে তাঁদের একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। রমজানের প্রতিদিন দুপুর থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত ইফতার ও সেহরির খাবার তৈরিতে কাজ করেন তাঁরা। পুরোপুরি স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে চলে এ কাজ।
শাহীন প্রধান বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের এই নিবেদন ও আন্তরিকতা উপকারভোগী অসহায় মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। তাদের কথায় ও নীরব অভিব্যক্তিতে ঝরে পড়ে কৃতজ্ঞতা।
শাহীন প্রধান বললেন, সেগুনবাগিচায় চিটাগাং হোটেলের পাশে ইফতার ও সেহরির খাবারগুলো তৈরি করার জন্য একটি অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করা হয়েছে। যে কেউ চাইলে সেখানে গিয়ে সরাসরি তাঁদের কর্মকাণ্ড দেখে সাধ্যমতো সহায়তা করতে পারেন।
জুম বাংলাদেশ ৩ বছর ধরে এই আয়োজন করে আসছে। তারা প্রতিদিন ৫০০ মানুষের জন্য খাবার তৈরি করছে। ২৭ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।
ইফতারের সময় একজন বয়স্ক লোক এসে আয়োজকদের খুঁজছিলেন। শাহীন প্রধান এগিয়ে গেলে বয়স্ক মানুষটি তাঁর হাতে কিছু অর্থ তুলে দেন। নাম না জানিয়ে ওই দাতা বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে চাচ্ছিলাম এখানে কিছু দান করব। গরিব মানুষের জন্য এ রকম আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’
জুমের এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে থাকেন। দনিয়া কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করা শান্তা আক্তার তাঁদের একজন। তিনি বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে আমি জুম বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। পড়ালেখার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে আমার ভালো লাগে।’
আরেক স্বেচ্ছাসেবী তানজীম হোসাইন ঐশী পড়েন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। ২০২১ সাল থেকে তিনি জুমের স্বেচ্ছাসেবার কাজে যুক্ত। ঐশী বললেন, ‘আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হই মূলত শিক্ষক হিসেবে। পথশিশুদের পড়াই। পাশাপাশি এই সাময়িক আয়োজনগুলোয়ও অংশ নিই।’
জুম বাংলাদেশের জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ২০১৬ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষাদানের কাজ করে আসছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির প্রধান ফটকের সামনের দৃশ্য। ইফতারের সময়ের আগে আগে সারি দিয়ে রাখা হচ্ছে ইফতারসামগ্রী। সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে সারি বেঁধে বসে যাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। সময় হতেই মুখে তুলে নিলেন পানি ও খাবার।
জানা গেল, পথশিশু, রিকশাচালক, হকার, ভ্যানচালকসহ শ্রমজীবী এবং সহায়হীন মানুষ ইফতারে মিলিত হন এখানে। অনেকে অংশ নেন সেহরিতেও। উদ্যোগটি বেসরকারি সংগঠন ‘জুম বাংলাদেশ’-এর।
জুম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো. শাহীন প্রধান জানিয়েছেন, এই আয়োজন সফল করতে তাঁদের একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। রমজানের প্রতিদিন দুপুর থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত ইফতার ও সেহরির খাবার তৈরিতে কাজ করেন তাঁরা। পুরোপুরি স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে চলে এ কাজ।
শাহীন প্রধান বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের এই নিবেদন ও আন্তরিকতা উপকারভোগী অসহায় মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। তাদের কথায় ও নীরব অভিব্যক্তিতে ঝরে পড়ে কৃতজ্ঞতা।
শাহীন প্রধান বললেন, সেগুনবাগিচায় চিটাগাং হোটেলের পাশে ইফতার ও সেহরির খাবারগুলো তৈরি করার জন্য একটি অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করা হয়েছে। যে কেউ চাইলে সেখানে গিয়ে সরাসরি তাঁদের কর্মকাণ্ড দেখে সাধ্যমতো সহায়তা করতে পারেন।
জুম বাংলাদেশ ৩ বছর ধরে এই আয়োজন করে আসছে। তারা প্রতিদিন ৫০০ মানুষের জন্য খাবার তৈরি করছে। ২৭ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।
ইফতারের সময় একজন বয়স্ক লোক এসে আয়োজকদের খুঁজছিলেন। শাহীন প্রধান এগিয়ে গেলে বয়স্ক মানুষটি তাঁর হাতে কিছু অর্থ তুলে দেন। নাম না জানিয়ে ওই দাতা বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে চাচ্ছিলাম এখানে কিছু দান করব। গরিব মানুষের জন্য এ রকম আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’
জুমের এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে থাকেন। দনিয়া কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করা শান্তা আক্তার তাঁদের একজন। তিনি বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে আমি জুম বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। পড়ালেখার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে আমার ভালো লাগে।’
আরেক স্বেচ্ছাসেবী তানজীম হোসাইন ঐশী পড়েন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। ২০২১ সাল থেকে তিনি জুমের স্বেচ্ছাসেবার কাজে যুক্ত। ঐশী বললেন, ‘আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হই মূলত শিক্ষক হিসেবে। পথশিশুদের পড়াই। পাশাপাশি এই সাময়িক আয়োজনগুলোয়ও অংশ নিই।’
জুম বাংলাদেশের জুমবাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ২০১৬ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষাদানের কাজ করে আসছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে