ঢাবি প্রতিনিধি

পুলিশি বাধায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে পণ্ড হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘লালকার্ড সমাবেশ’। নতুন বছরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ইতিহাস বিকৃতি, সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বিষয়বস্তু এবং ট্রান্সজেন্ডার/এলজিবিটি প্রমোট করার প্রতিবাদে ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ‘লালকার্ড সমাবেশ’-এর আয়োজন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই শাহবাগ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হলে তাঁদের হাতে থাকা ব্যানার কেড়ে নেয় পুলিশ। এরপর সমাবেশস্থল ছেড়ে চলে যান শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে ঢাবির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, জসীমউদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন স্তরের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সেখানে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জাদুঘরের সামনে বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গানে করছিলেন তখন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘সংগীত, চারুকলা ও থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা শিল্পচর্চার অংশ হিসেবে সেখানে গান করছিলেন। আমিও শুনে এসেছি। ছাত্রলীগের কোনো দলীয় কর্মসূচি নেই।’
‘লালকার্ড সমাবেশ’-এর অন্যতম আয়োজক জামালুদ্দিন মোহাম্মদ খালিদ বলেন, `জাতীয় চেতনাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে, যার প্রতিবাদে আমরা লালকার্ড সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু ঘটনাস্থল পুলিশ ঘিরে রেখেছিল। আমরা দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আমাদের কাছ থেকে ব্যানারে কেড়ে নিয়ে সরিয়ে দেয়।’
তবে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা কাউকে সরিয়ে দেইনি, ব্যানারও কেড়ে নেইনি। অভিযোগ সত্য নয়।’

পুলিশি বাধায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে পণ্ড হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘লালকার্ড সমাবেশ’। নতুন বছরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ইতিহাস বিকৃতি, সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বিষয়বস্তু এবং ট্রান্সজেন্ডার/এলজিবিটি প্রমোট করার প্রতিবাদে ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ‘লালকার্ড সমাবেশ’-এর আয়োজন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই শাহবাগ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হলে তাঁদের হাতে থাকা ব্যানার কেড়ে নেয় পুলিশ। এরপর সমাবেশস্থল ছেড়ে চলে যান শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে ঢাবির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, জসীমউদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন স্তরের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সেখানে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জাদুঘরের সামনে বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গানে করছিলেন তখন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘সংগীত, চারুকলা ও থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা শিল্পচর্চার অংশ হিসেবে সেখানে গান করছিলেন। আমিও শুনে এসেছি। ছাত্রলীগের কোনো দলীয় কর্মসূচি নেই।’
‘লালকার্ড সমাবেশ’-এর অন্যতম আয়োজক জামালুদ্দিন মোহাম্মদ খালিদ বলেন, `জাতীয় চেতনাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে, যার প্রতিবাদে আমরা লালকার্ড সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু ঘটনাস্থল পুলিশ ঘিরে রেখেছিল। আমরা দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আমাদের কাছ থেকে ব্যানারে কেড়ে নিয়ে সরিয়ে দেয়।’
তবে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা কাউকে সরিয়ে দেইনি, ব্যানারও কেড়ে নেইনি। অভিযোগ সত্য নয়।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে