রাজধানীর মাতুয়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবা ও নানাকে হারানো শাকিরা আক্তার বৃষ্টি (৬) হাসপাতালে ছেড়েছে। তবে শিশুটি এখনো জানে না যে তার মা-বাবা আর বেঁচে নেই। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামা নজরুল ইসলামের সঙ্গে মাতুয়াইলের বাসায় চলে যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শিশির কুমার ঘোষ বলেন, বৃষ্টি সুস্থ হয়ে গেছে। আজ তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে তার বুকে আঘাত ছিল। কোনো সমস্যা হলে হাসপাতালে আসার জন্য বলা হয়েছে।
বৃষ্টির মামা নজরুল ইসলাম বলেন, সুস্থ হওয়ায় বৃষ্টিকে আজ ছাড়পত্র দিয়েছে চিকিৎসকেরা। আমরা এখন মাতুয়াইলের বাসায় যাচ্ছি। তবে এখনো মা-বাবা ও নানার মৃত্যুর খবর জানে না বৃষ্টি। মাঝে মাঝে মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করলে তাকে বলা হতো তার মা অসুস্থ নানিকে দেখভাল করছে। তার কাছে আসতে পারবে না।
তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকা কালীন অনেকবার মা ও নানির কাছে যেতে চাইতো। অনেক খেলার সামগ্রী দিয়ে তাকে ভুলিয়ে রাখা হতো। বৃষ্টিকে নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি। যদি বাসায় গিয়ে মা বাবাকে দেখতে চায়! তাহলে জি জবাব দেব।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, আমার অসুস্থ মা সাহেদা বেগমকেও জানানো হয়নি বাবা বোন ও বোন জামাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ। স্বামী, মেয়ে ও মেয়ের স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ কীভাবে সহ্য করবে সে।
হাসপাতালের ২০৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক নার্সিং অফিসার বলেন, প্রথমে যখন বৃষ্টি আমাদের ওয়ার্ডে আসে। তখন খুবই অসুস্থ ছিল সে। এতটুকু বাচ্চা কি করে মা-বাবা ছাড়া থাকবে। আজ বৃষ্টির ছুটি হয়েছে। বাসায় গিয়ে বাবা-মাকে দেখতে না পেয়ে কি করবে সেটাই মনে মনে ভাবছি।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে বাসের ধাক্কায় প্রান হারিয়েছেন বৃষ্টির বাবা রিয়াজুল খান (৪০), মা শারমিন আক্তার (৩২) ও নানা আবদুর রহমান ব্যাপারী (৬০)। বৃষ্টিও তাদের সঙ্গে ছিল। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় বৃষ্টি।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩৫ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৪১ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে