নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন এলাকায় এডিস নিধন অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় এডিসের লার্ভা পাওয়ায় নয়টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির ধানমন্ডি, হাতিরপুল, তিলপা পাড়া, চকবাজার, উর্দু রোড, কোর্ট হাউস, তাঁতি বাজার, শাঁখারি বাজার, জুরাইন, কদমতলী, গ্রিন মডেল টাউন, ডেমরা ও কাজলার পাড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোট ৪৫৭টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে নয়টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় নয় মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল ইসলাম রুমি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধানমন্ডি ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুইটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসলীমা বেগম ১ নম্বর ওয়ার্ডের তিলপা পাড়া এলাকায় দুইটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুসেইন খান ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার ও উর্দু রোড এলাকায় একটি বাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়ায় এক মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ছয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুভাশিস ঘোষ ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
আট নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেমরা এলাকায় একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
নয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুর হোসেন ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজলার পাড় এলাকায় একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন এলাকায় এডিস নিধন অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় এডিসের লার্ভা পাওয়ায় নয়টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির ধানমন্ডি, হাতিরপুল, তিলপা পাড়া, চকবাজার, উর্দু রোড, কোর্ট হাউস, তাঁতি বাজার, শাঁখারি বাজার, জুরাইন, কদমতলী, গ্রিন মডেল টাউন, ডেমরা ও কাজলার পাড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোট ৪৫৭টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে নয়টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় নয় মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল ইসলাম রুমি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধানমন্ডি ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুইটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসলীমা বেগম ১ নম্বর ওয়ার্ডের তিলপা পাড়া এলাকায় দুইটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুসেইন খান ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার ও উর্দু রোড এলাকায় একটি বাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়ায় এক মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ছয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুভাশিস ঘোষ ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
আট নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেমরা এলাকায় একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
নয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুর হোসেন ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজলার পাড় এলাকায় একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে