নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: করোনা মহামারির মধ্যে যেসব সাংবাদিক নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বা চাকরি হারিয়েছেন এমন দুই হাজার গণমাধ্যমকর্মীকে দুই কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে একেকজন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
সচিবালয়ে রোববার সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জরুরি সভায় করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে সাংবাদিকদের এই সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
২০১৪ সালে সংসদে আইন পাস করে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে সরকার। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কোনো সাংবাদিক মারা গেলে এই ট্রাস্ট থেকে এককালীন তিন লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে যেসব সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন বা বেতন পাচ্ছিলেন না তাদের সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাক্রমে কল্যাণ ট্রাস্টের বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
‘করোনার প্রথম ঢেউয়ে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েন, অনেকে বেতন পাচ্ছিলেন না, অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন- সারা দেশের এমন তিন হাজার ৩৫০ জন সাংবাদিককে দলমত নির্বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়।’
হাছান মাহমুদ বলেন, আপাতত আরও দুই হাজার সাংবাদিককে দুই কোটি টাকা সহায়তা করব। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
এই অর্থবছরে আরও ২০০ সাংবাদিককে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন এরই মধ্যে ৪০ জনকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এই অর্থবছরে আরও সাংবাদিককে কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।
করোনাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের চাকুরিচ্যুত করা নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই সময় চাকরিচ্যুত করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত, আমার কাছে অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন,অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবাদ মাধ্যমগুলো নানান সমস্যার সম্মুখীন। বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ শুরু থেকে করেছিলাম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটি অনুসরণ করা হয়নি, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তথ্যমন্ত্রী জানান, যে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের চাকরীচ্যুত করেছে সে সব নিয়ে আমরা সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে আলাপ আলোচনা করছি। কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনায় চলছে। যাদেরকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে তাদের পুনর্বহাল করা হবে সেটিই আমার প্রত্যাশা।

ঢাকা: করোনা মহামারির মধ্যে যেসব সাংবাদিক নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বা চাকরি হারিয়েছেন এমন দুই হাজার গণমাধ্যমকর্মীকে দুই কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে একেকজন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
সচিবালয়ে রোববার সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জরুরি সভায় করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে সাংবাদিকদের এই সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
২০১৪ সালে সংসদে আইন পাস করে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে সরকার। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কোনো সাংবাদিক মারা গেলে এই ট্রাস্ট থেকে এককালীন তিন লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে যেসব সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন বা বেতন পাচ্ছিলেন না তাদের সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাক্রমে কল্যাণ ট্রাস্টের বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
‘করোনার প্রথম ঢেউয়ে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েন, অনেকে বেতন পাচ্ছিলেন না, অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন- সারা দেশের এমন তিন হাজার ৩৫০ জন সাংবাদিককে দলমত নির্বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়।’
হাছান মাহমুদ বলেন, আপাতত আরও দুই হাজার সাংবাদিককে দুই কোটি টাকা সহায়তা করব। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
এই অর্থবছরে আরও ২০০ সাংবাদিককে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন এরই মধ্যে ৪০ জনকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এই অর্থবছরে আরও সাংবাদিককে কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।
করোনাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের চাকুরিচ্যুত করা নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই সময় চাকরিচ্যুত করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত, আমার কাছে অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন,অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবাদ মাধ্যমগুলো নানান সমস্যার সম্মুখীন। বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ শুরু থেকে করেছিলাম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটি অনুসরণ করা হয়নি, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তথ্যমন্ত্রী জানান, যে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের চাকরীচ্যুত করেছে সে সব নিয়ে আমরা সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে আলাপ আলোচনা করছি। কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনায় চলছে। যাদেরকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে তাদের পুনর্বহাল করা হবে সেটিই আমার প্রত্যাশা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১০ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১৪ মিনিট আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪১ মিনিট আগে