বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা এই মামলায় গ্রেপ্তারের এক মাস পর আজ মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার গোলাম ফারুক বলেন, সকাল ১০টার দিকে আখতারুজ্জামান কারামুক্তি পেয়েছেন। তাঁর পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতা-কর্মীরা কারাফটকে তাঁকে গ্রহণ করেন।
কারাফটকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ঢাকা জেলা আমির দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি, জয়নাল আবেদীন এমপি, উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, আইজীবী রুকন রেজা।
গত ১ অক্টোবর সকালে মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এ সময় লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির সংকট ও জমজমের পানি পেতে দেরি হওয়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের বাগ্বিতণ্ডা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব। পরদিন ২ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দায়রা আদালতেও জামিন আবেদন নাকচ হলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এর পর গত ১ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।









