নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশ সফল হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে পর্যটনের সকল উপাদান রয়েছে। অথচ এটাকে আমরা সাকসেস করতে পারিনি। এই ব্যর্থতা আমাদের। এত দিন আমরা ভাবিনি, তাই টুরিজম হয়নি। এখন আমরা ভাবা শুরু করছি, এবার টুরিজম হবে।’
আজ শুক্রবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘সিটি ট্যুর’ এর উদ্বোধনী আয়োজনে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সমূহ দর্শনের জন্য প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল এই সিটি ট্যুরের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন বলেন, ‘দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। মোগল আমলের অনেক স্থাপনা রয়েছে। যেসব স্থাপনা পর্যটকদের দেখানো হবে, তার ভালো বুকলেট তৈরি করতে হবে। দেশে এসএম সুলতানসহ অনেক বরেণ্য শিল্পীদের চিত্রকর্ম রয়েছে, সেগুলো পর্যটকদের উপস্থাপন করতে হবে।’
উদ্বোধনী আয়োজনে আরও আলোচনায় অংশ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, হোটেলস্ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. আমিনুর রহমান, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক আসিফ আহমেদ প্রমুখ।
সিটি ট্যুরের উদ্বোধনী দিনে জাপান, রাশিয়া ও চীনের ১৩ জন পর্যটক অংশ নিয়েছেন। আয়োজকেরা জানান, এই ট্যুরে দেশি-বিদেশি সকল পর্যটক অংশগ্রহণ করতে পারবে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বাসভবন এই ট্যুরের প্রধান আকর্ষণ যা এখন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনকারী ঢাকার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান, যেমন-জাতীয় জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর ও শহীদ মিনার এই ট্যুরের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সকল দর্শনীয় স্থান থেকে পর্যটক এবং দর্শনার্থীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে পারবে।
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মাদ নাফিউজ্জামান জানিয়েছেন, এই বিশেষ সিটি ট্যুরটি খুবই আকর্ষণীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং ট্যুরের টিকিটের জন্য খুবই সামান্য মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি মাত্র ৪৫০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি মাত্র ৫০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকিটের এই মূল্যের মধ্যেই বিভিন্ন ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য অনবোর্ড স্ন্যাকস, দুপুরের অথবা রাতের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
সিটি ট্যুর সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও শনিবার পরিচালিত হবে। শুক্রবার দুপুর ২টায় শুরু হয়ে ট্যুর প্যাকেজের কার্যক্রম শেষ হবে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে। আর শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে শেষ হবে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের সময়। ট্যুরের টিকিট বুকিং করার জন্য +৮৮০১৭৭৭৭৫৮৩৭৯ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশ সফল হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে পর্যটনের সকল উপাদান রয়েছে। অথচ এটাকে আমরা সাকসেস করতে পারিনি। এই ব্যর্থতা আমাদের। এত দিন আমরা ভাবিনি, তাই টুরিজম হয়নি। এখন আমরা ভাবা শুরু করছি, এবার টুরিজম হবে।’
আজ শুক্রবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘সিটি ট্যুর’ এর উদ্বোধনী আয়োজনে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সমূহ দর্শনের জন্য প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল এই সিটি ট্যুরের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন বলেন, ‘দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। মোগল আমলের অনেক স্থাপনা রয়েছে। যেসব স্থাপনা পর্যটকদের দেখানো হবে, তার ভালো বুকলেট তৈরি করতে হবে। দেশে এসএম সুলতানসহ অনেক বরেণ্য শিল্পীদের চিত্রকর্ম রয়েছে, সেগুলো পর্যটকদের উপস্থাপন করতে হবে।’
উদ্বোধনী আয়োজনে আরও আলোচনায় অংশ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, হোটেলস্ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. আমিনুর রহমান, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক আসিফ আহমেদ প্রমুখ।
সিটি ট্যুরের উদ্বোধনী দিনে জাপান, রাশিয়া ও চীনের ১৩ জন পর্যটক অংশ নিয়েছেন। আয়োজকেরা জানান, এই ট্যুরে দেশি-বিদেশি সকল পর্যটক অংশগ্রহণ করতে পারবে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বাসভবন এই ট্যুরের প্রধান আকর্ষণ যা এখন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনকারী ঢাকার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান, যেমন-জাতীয় জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর ও শহীদ মিনার এই ট্যুরের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সকল দর্শনীয় স্থান থেকে পর্যটক এবং দর্শনার্থীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে পারবে।
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মাদ নাফিউজ্জামান জানিয়েছেন, এই বিশেষ সিটি ট্যুরটি খুবই আকর্ষণীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং ট্যুরের টিকিটের জন্য খুবই সামান্য মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি মাত্র ৪৫০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি মাত্র ৫০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকিটের এই মূল্যের মধ্যেই বিভিন্ন ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য অনবোর্ড স্ন্যাকস, দুপুরের অথবা রাতের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
সিটি ট্যুর সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও শনিবার পরিচালিত হবে। শুক্রবার দুপুর ২টায় শুরু হয়ে ট্যুর প্যাকেজের কার্যক্রম শেষ হবে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে। আর শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে শেষ হবে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের সময়। ট্যুরের টিকিট বুকিং করার জন্য +৮৮০১৭৭৭৭৫৮৩৭৯ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে