নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর আজিমপুরে সরকারি কলোনির দেয়াল চাপায় নিহত জিহাদের ভাই গুলজারকে চাকরি দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। পিলখানা গণপূর্ত উপ বিভাগে অফিস সহকারী পদে তাকে চাকরি দেওয়া হয়। এছাড়া দেয়াল চাপায় আহত জিহাদের বাবা নাজিম উদ্দিনের চিকিৎসার খরচ বাবদ এক লাখ টাকা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অঞ্চল তিন কর্তৃপক্ষ।
এর আগে দৈনিক আজকের পত্রিকায় জিহাদের বাবার চিকিৎসা খরচের অভাব এবং তাদের পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের প্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জিহাদের বাবা নাজিম উদ্দিন জানান, আমি অসুস্থ হয়ে পড়ায় কীভাবে পরিবার চালাব তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম। ঠিকমতো নিজের চিকিৎসাটাও করাতে পারছিলাম না। আপনারা পত্রিকায় আমার পরিবারের অবস্থা তুলে ধরায় ছেলে চাকরিটা পেয়েছে। আমার চিকিৎসা করার জন্য তারা এক লাখ টাকাও দিয়েছে।
ছেলের চাকরির বিষয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার বড় ছেলে গুলজার ভ্যান চালাতো, মালিকের ভ্যান ভাড়ায় চালানোর কারণে প্রতিদিন আয়ের অর্ধেকের বেশি মালিককে দিয়ে দিতে হতো। এখন তার চাকরিটা হওয়ায় সে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রোববার কাজে যোগদান করে গতকালই প্রথম অফিস করেন গুলজার। চাকরি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার গণপূর্ত বিভাগের লোকজন বাবার চিকিৎসা খরচ দেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় গেলে স্থানীয় কাউন্সিলর মোকাদ্দেস হোসেন আমাকে চাকরি দেওয়ার অনুরোধ জানান। এরপর তারা রোববার আমাকে অফিসে যাওয়ার জন্য বলেন। রোববার অফিসে গেলে তারা আমাকে কাজ বুঝিয়ে দেয়।’
পিলখানা গণপূর্ত উপ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ কায়সার কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গুলজারকে আমাদের পিলখানা উপ বিভাগে অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি ছেলেটার পরিবার যেন একটু হলেও শোকটা ভুলতে পারে। যদিও ভাই হারানো কিংবা ছেলে হারানোর শোকের তুলনায় একটা চাকরি সামান্য বিষয়। ভবিষ্যতেও আমরা পরিবারটির খোঁজ রাখতে চেষ্টা করবো।’

রাজধানীর আজিমপুরে সরকারি কলোনির দেয়াল চাপায় নিহত জিহাদের ভাই গুলজারকে চাকরি দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। পিলখানা গণপূর্ত উপ বিভাগে অফিস সহকারী পদে তাকে চাকরি দেওয়া হয়। এছাড়া দেয়াল চাপায় আহত জিহাদের বাবা নাজিম উদ্দিনের চিকিৎসার খরচ বাবদ এক লাখ টাকা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অঞ্চল তিন কর্তৃপক্ষ।
এর আগে দৈনিক আজকের পত্রিকায় জিহাদের বাবার চিকিৎসা খরচের অভাব এবং তাদের পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের প্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জিহাদের বাবা নাজিম উদ্দিন জানান, আমি অসুস্থ হয়ে পড়ায় কীভাবে পরিবার চালাব তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম। ঠিকমতো নিজের চিকিৎসাটাও করাতে পারছিলাম না। আপনারা পত্রিকায় আমার পরিবারের অবস্থা তুলে ধরায় ছেলে চাকরিটা পেয়েছে। আমার চিকিৎসা করার জন্য তারা এক লাখ টাকাও দিয়েছে।
ছেলের চাকরির বিষয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার বড় ছেলে গুলজার ভ্যান চালাতো, মালিকের ভ্যান ভাড়ায় চালানোর কারণে প্রতিদিন আয়ের অর্ধেকের বেশি মালিককে দিয়ে দিতে হতো। এখন তার চাকরিটা হওয়ায় সে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রোববার কাজে যোগদান করে গতকালই প্রথম অফিস করেন গুলজার। চাকরি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার গণপূর্ত বিভাগের লোকজন বাবার চিকিৎসা খরচ দেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় গেলে স্থানীয় কাউন্সিলর মোকাদ্দেস হোসেন আমাকে চাকরি দেওয়ার অনুরোধ জানান। এরপর তারা রোববার আমাকে অফিসে যাওয়ার জন্য বলেন। রোববার অফিসে গেলে তারা আমাকে কাজ বুঝিয়ে দেয়।’
পিলখানা গণপূর্ত উপ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ কায়সার কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গুলজারকে আমাদের পিলখানা উপ বিভাগে অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি ছেলেটার পরিবার যেন একটু হলেও শোকটা ভুলতে পারে। যদিও ভাই হারানো কিংবা ছেলে হারানোর শোকের তুলনায় একটা চাকরি সামান্য বিষয়। ভবিষ্যতেও আমরা পরিবারটির খোঁজ রাখতে চেষ্টা করবো।’

বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
৬ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২০ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডেলটা জেনারেল হাসপাতালে নিপা ঘোষ (২১) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত নিপার স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিপা ঘোষ মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নের চকবাস্তা গ্রামের রিপন কুমার ঘোষের স্ত্রী।
২৯ মিনিট আগে