নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শাহবাগ মোড়। ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান সাদি যাচ্ছিলেন রাজধানীর কোর্ট হাউস স্ট্রিটের ছোট ভাইয়ের বাসায়। ইলেকট্রিক লাইনে সমস্যা থাকায় যন্ত্রপাতি কিনে সেখানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শাহবাগে সার্জেন্ট সবুজ মিয়ার কাছে এটা জরুরি প্রয়োজন বা সেবা মনে না হওয়ায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করেছেন তাঁকে।
আইপিএস ব্যবসায়ী নাজমুল মোল্লাহরও জরিমানা হয়েছে দুই হাজার। তিনি যাচ্ছিলেন এক গ্রাহকের বাসায় আইপিএস পৌঁছে দিতে। কিন্তু সেটা যৌক্তিক মনে হয়নি সার্জেন্টের কাছে।
এ বিষয়ে সার্জেন্ট সবুজ মিয়া বলেন, মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতেই আমাদের এই জরিমানা করা। যারা অযৌক্তিক কারণে বের হচ্ছে মূলত তাদের জরিমানা করা হচ্ছে। রোগী বা জরুরি সেবা এই জরিমানা আওতার বাইরে। রিকশায় যদি তিনজন ওঠে তাদের নামিয়ে দিচ্ছি বা মোটরসাইকেলে দুজন থাকলে তাদের একজনকে নামিয়ে দিচ্ছি। দুপুর পর্যন্ত পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়েছে।
আমরা জরিমানা করলেই চলবে না, জন সাধারণকেও ভূমিকা রাখতে হবে বলে জানান সবুজ মিয়া।
একটু এগিয়ে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে যেতেই দেখা গেল সেখানে চেক পোস্ট বসিয়েছে র্যাব-৩। প্রাইভেট গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা আটকে যাত্রীদের যাতায়াতের কারণ জিজ্ঞেস করছে তারা। কিছুক্ষণ পরই শাহবাগে পুলিশের বহর নিয়ে আসেন রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান।
সাজ্জাদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা রোভার্স পেট্রোলিং করছি। আমাদের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। যেসব জায়গায় মানুষ জন কোনো কারণ ছাড়াই বের হচ্ছে বা বিধিনিষেধ মানছে না তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। আজ গাড়ি গতকালের তুলনায় বেশি থাকলেও, প্রথম দিনের তুলনায় কম। আমাদের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। তাই যেকোনো জায়গায় আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারি।
ধানমন্ডির শুক্রাবাদেও চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় র্যাব-২। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন, র্যাব প্রধান শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজাহরুল ইসলাম।
মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকেই এই কার্যক্রম চালাচ্ছি। মূলত অকারণে যেন কেউ বের না হয় সে দিকটাই নিশ্চিত করছি। এখন পর্যন্ত সাতজনকে জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনকে বিনা কারণে বের হওয়ায় ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মোটর বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না পাওয়ায় একজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শাহবাগ মোড়। ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান সাদি যাচ্ছিলেন রাজধানীর কোর্ট হাউস স্ট্রিটের ছোট ভাইয়ের বাসায়। ইলেকট্রিক লাইনে সমস্যা থাকায় যন্ত্রপাতি কিনে সেখানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শাহবাগে সার্জেন্ট সবুজ মিয়ার কাছে এটা জরুরি প্রয়োজন বা সেবা মনে না হওয়ায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করেছেন তাঁকে।
আইপিএস ব্যবসায়ী নাজমুল মোল্লাহরও জরিমানা হয়েছে দুই হাজার। তিনি যাচ্ছিলেন এক গ্রাহকের বাসায় আইপিএস পৌঁছে দিতে। কিন্তু সেটা যৌক্তিক মনে হয়নি সার্জেন্টের কাছে।
এ বিষয়ে সার্জেন্ট সবুজ মিয়া বলেন, মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতেই আমাদের এই জরিমানা করা। যারা অযৌক্তিক কারণে বের হচ্ছে মূলত তাদের জরিমানা করা হচ্ছে। রোগী বা জরুরি সেবা এই জরিমানা আওতার বাইরে। রিকশায় যদি তিনজন ওঠে তাদের নামিয়ে দিচ্ছি বা মোটরসাইকেলে দুজন থাকলে তাদের একজনকে নামিয়ে দিচ্ছি। দুপুর পর্যন্ত পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়েছে।
আমরা জরিমানা করলেই চলবে না, জন সাধারণকেও ভূমিকা রাখতে হবে বলে জানান সবুজ মিয়া।
একটু এগিয়ে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে যেতেই দেখা গেল সেখানে চেক পোস্ট বসিয়েছে র্যাব-৩। প্রাইভেট গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা আটকে যাত্রীদের যাতায়াতের কারণ জিজ্ঞেস করছে তারা। কিছুক্ষণ পরই শাহবাগে পুলিশের বহর নিয়ে আসেন রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান।
সাজ্জাদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা রোভার্স পেট্রোলিং করছি। আমাদের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। যেসব জায়গায় মানুষ জন কোনো কারণ ছাড়াই বের হচ্ছে বা বিধিনিষেধ মানছে না তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। আজ গাড়ি গতকালের তুলনায় বেশি থাকলেও, প্রথম দিনের তুলনায় কম। আমাদের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। তাই যেকোনো জায়গায় আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারি।
ধানমন্ডির শুক্রাবাদেও চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় র্যাব-২। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন, র্যাব প্রধান শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজাহরুল ইসলাম।
মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকেই এই কার্যক্রম চালাচ্ছি। মূলত অকারণে যেন কেউ বের না হয় সে দিকটাই নিশ্চিত করছি। এখন পর্যন্ত সাতজনকে জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনকে বিনা কারণে বের হওয়ায় ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মোটর বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না পাওয়ায় একজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে