উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

গত দুই মাসে হারিয়ে যাওয়া ১৬২ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
আজ মঙ্গলবার এপিবিএন সাইবার ক্রাইম ইউনিট কার্যালয়ে ১৬২টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমান। মোবাইলগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
মোবাইল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী ও বিকিউএম ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী।
মোবাইল হাতে পেয়ে মগবাজারের ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, ‘এর আগে একটা আইফোন হারিয়েছি। সেটা পাইনি। এবার পাব ভাবিনি। যেভাবে উদ্ধার করেছে মোবাইলটা তাতে পুলিশের ওপর আমার আস্থা অনেক বেড়ে গেল।’
গত ২১ জানুয়ারি সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র মোহাম্মদ ফয়জুদ্দিনের মোবাইল ছিনতাই হয়েছিল। মোবাইলটি ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ছিনতাই হওয়া সেই মোবাইলটি তাঁকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছে উত্তরার ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমান বলেন, ‘মোবাইল ফোন উদ্ধারের প্রক্রিয়া অত সহজ নয়। প্রচুর ডাটা অ্যানালাইসিস করতে হয়। এটার জের ধরে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। আমাদের প্রচুর কষ্ট করতে হয়। এরপরও আমরা করি কাজটা, কারণ আমরা যদি না করে হাল ছেড়ে দিই তাহলে এই যে মোবাইল ছিনতাই হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া এসব জিনিস বাড়বেই। এসব তৎপরতার কারণে তারাও (ছিনতাইকারীরা) আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আমরা মোবাইল উদ্ধারের কাজ ভালোভাবে করার চেষ্টা করি এবং আমাদের সাফল্যের হারও বেশি।’
গাজীপুর চৌরাস্তা শালনা থেকে গার্মেন্টস শ্রমিক মোহাম্মদ রমজান আলীর মোবাইল চুরি হয়েছিল। হারানো মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে উচ্ছ্বসিত রমজান বলেন, ‘পুলিশের প্রতি আমার আস্থা ছিল। মোবাইল ফিরে পেয়ে খুব খুশি আমি।’

গত দুই মাসে হারিয়ে যাওয়া ১৬২ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
আজ মঙ্গলবার এপিবিএন সাইবার ক্রাইম ইউনিট কার্যালয়ে ১৬২টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমান। মোবাইলগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
মোবাইল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী ও বিকিউএম ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী।
মোবাইল হাতে পেয়ে মগবাজারের ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, ‘এর আগে একটা আইফোন হারিয়েছি। সেটা পাইনি। এবার পাব ভাবিনি। যেভাবে উদ্ধার করেছে মোবাইলটা তাতে পুলিশের ওপর আমার আস্থা অনেক বেড়ে গেল।’
গত ২১ জানুয়ারি সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র মোহাম্মদ ফয়জুদ্দিনের মোবাইল ছিনতাই হয়েছিল। মোবাইলটি ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ছিনতাই হওয়া সেই মোবাইলটি তাঁকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছে উত্তরার ১২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমান বলেন, ‘মোবাইল ফোন উদ্ধারের প্রক্রিয়া অত সহজ নয়। প্রচুর ডাটা অ্যানালাইসিস করতে হয়। এটার জের ধরে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। আমাদের প্রচুর কষ্ট করতে হয়। এরপরও আমরা করি কাজটা, কারণ আমরা যদি না করে হাল ছেড়ে দিই তাহলে এই যে মোবাইল ছিনতাই হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া এসব জিনিস বাড়বেই। এসব তৎপরতার কারণে তারাও (ছিনতাইকারীরা) আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আমরা মোবাইল উদ্ধারের কাজ ভালোভাবে করার চেষ্টা করি এবং আমাদের সাফল্যের হারও বেশি।’
গাজীপুর চৌরাস্তা শালনা থেকে গার্মেন্টস শ্রমিক মোহাম্মদ রমজান আলীর মোবাইল চুরি হয়েছিল। হারানো মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে উচ্ছ্বসিত রমজান বলেন, ‘পুলিশের প্রতি আমার আস্থা ছিল। মোবাইল ফিরে পেয়ে খুব খুশি আমি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে