প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

তানজিদা মোরশেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০০৮ সালে তাঁর বাবা মারা গেছেন। দুই বোন তাঁরা, ভাই নেই। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে কয়েক বছর আগে। তাই পরিবারের ভার এসে পড়ে তানজিদার ঘাড়ে। তাঁর টিউশনির টাকাতেই চলত মা-মেয়ের সংসার। করোনায় তানজিদার পরিবারের শেষ আশার প্রদীপও নিভিয়ে দিল।
এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তানজিদা মোরশেদ। তানজিদার সহপাঠী গোলাম মোস্তফা সুমন বলেন, গতকাল বুধবার তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। রাত ৯টা পর্যন্ত অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৩৭-এ ছিল। পরে তা আরও নিচে নামতে থাকলে তাঁকে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টায় তিনি মারা যান।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হালিশহর বিহারি কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর লাশ দাফন করার মতো কেউ ছিল না। দাফনের কাজ সম্পন্ন করে করোনাকালে চট্টগ্রামে বহুমুখী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আল মানাহিল ফাউন্ডেশন।
তানজিদা মোরশেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইংরেজি বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। নিজের টিউশনির টাকাতেই পড়াশোনার খরচ চলতেন তিনি। পাশাপাশি মাকে নিয়ে সংসারের খরচও তাঁকেই বহন করতে হতো। স্বপ্ন ছিল মাস্টার্স শেষ করে সরকারি চাকরি করবেন।
তানজিদার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে। দীর্ঘদিন ধরে নগরীর হালিশহর এলাকায় মাসহ বাস করতেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অনার্সে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি।
তানজিদার বড় বোন তাহমিনা মোরশেদ বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তির এক দিন পরই তানজিদা মারা যায়। আমাদের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। সে কিছুটা চাপা স্বভাবের ছিল।’
তানজিদার সহপাঠী মো. শওকত আলী বলেন, ‘সে কিছুটা চাপা স্বভাবের ছিল। সবকিছু সবার সঙ্গে শেয়ার করত না। ছোটবেলা থেকেই অসম্ভব মেধাবী ছিল। যার চূড়ান্ত স্বাক্ষর সে অনার্সের পরীক্ষায় রাখে। অনার্সে সে ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়।’
শওকত আলী আরও বলেন, ‘২০০৮ সালে তানজিদার বাবা মারা যান। পরিবারের সে-ই একমাত্র অবলম্বন ছিল। টিউশনি করে সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। তার আশা ছিল, একটা ভালো সরকারি চাকরি করে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু তা আর হলো না!’
ইংরেজি বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘তানজিদা পড়াশোনায় যেমন ভালো ছিল, তেমনি পরোপকারীও ছিল। সে মাস্টার্সের অনলাইন ক্লাসে আমার সব ক্লাসই করেছে। বিভাগের জুনিয়র-সিনিয়র সবাইকে সে যেকোনো বিষয়ে সহযোগিতা করত। তার মৃত্যুতে পরিবারের আর উপার্জন করার মতো কেউ থাকল না।’

তানজিদা মোরশেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০০৮ সালে তাঁর বাবা মারা গেছেন। দুই বোন তাঁরা, ভাই নেই। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে কয়েক বছর আগে। তাই পরিবারের ভার এসে পড়ে তানজিদার ঘাড়ে। তাঁর টিউশনির টাকাতেই চলত মা-মেয়ের সংসার। করোনায় তানজিদার পরিবারের শেষ আশার প্রদীপও নিভিয়ে দিল।
এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তানজিদা মোরশেদ। তানজিদার সহপাঠী গোলাম মোস্তফা সুমন বলেন, গতকাল বুধবার তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। রাত ৯টা পর্যন্ত অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৩৭-এ ছিল। পরে তা আরও নিচে নামতে থাকলে তাঁকে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টায় তিনি মারা যান।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হালিশহর বিহারি কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর লাশ দাফন করার মতো কেউ ছিল না। দাফনের কাজ সম্পন্ন করে করোনাকালে চট্টগ্রামে বহুমুখী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আল মানাহিল ফাউন্ডেশন।
তানজিদা মোরশেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইংরেজি বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। নিজের টিউশনির টাকাতেই পড়াশোনার খরচ চলতেন তিনি। পাশাপাশি মাকে নিয়ে সংসারের খরচও তাঁকেই বহন করতে হতো। স্বপ্ন ছিল মাস্টার্স শেষ করে সরকারি চাকরি করবেন।
তানজিদার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে। দীর্ঘদিন ধরে নগরীর হালিশহর এলাকায় মাসহ বাস করতেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অনার্সে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি।
তানজিদার বড় বোন তাহমিনা মোরশেদ বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তির এক দিন পরই তানজিদা মারা যায়। আমাদের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। সে কিছুটা চাপা স্বভাবের ছিল।’
তানজিদার সহপাঠী মো. শওকত আলী বলেন, ‘সে কিছুটা চাপা স্বভাবের ছিল। সবকিছু সবার সঙ্গে শেয়ার করত না। ছোটবেলা থেকেই অসম্ভব মেধাবী ছিল। যার চূড়ান্ত স্বাক্ষর সে অনার্সের পরীক্ষায় রাখে। অনার্সে সে ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়।’
শওকত আলী আরও বলেন, ‘২০০৮ সালে তানজিদার বাবা মারা যান। পরিবারের সে-ই একমাত্র অবলম্বন ছিল। টিউশনি করে সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। তার আশা ছিল, একটা ভালো সরকারি চাকরি করে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু তা আর হলো না!’
ইংরেজি বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘তানজিদা পড়াশোনায় যেমন ভালো ছিল, তেমনি পরোপকারীও ছিল। সে মাস্টার্সের অনলাইন ক্লাসে আমার সব ক্লাসই করেছে। বিভাগের জুনিয়র-সিনিয়র সবাইকে সে যেকোনো বিষয়ে সহযোগিতা করত। তার মৃত্যুতে পরিবারের আর উপার্জন করার মতো কেউ থাকল না।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে