চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন কৃষকের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে মাটি পরীক্ষাগার। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় এই সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে মাটি পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। তাই এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না কৃষকেরা। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে কৃষকদের কাছ থেকে মাটি সংগ্রহ করে পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।
তাঁরা বলছেন, অধিকাংশ কৃষক ফসল অনুযায়ী জমিতে প্রয়োজনীয় মাত্রায় সার ব্যবহার করছেন, কিন্তু মাটি পরীক্ষায় বেশ কিছু সারের অপব্যবহার ধরা পড়ছে। এতে যেমন মাটির স্বাস্থ্যের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, তেমনি মাত্রাতিরিক্ত সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। তাই এ অঞ্চলের কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ মাটি পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়া মাটির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য উপাদান নিশ্চিত করে দেশের কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জানা গেছে, মাটি পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ও মো. নাজিম উদ্দিন।
এ ব্যাপারে মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে খরিপ মৌসুমে মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে জমিতে প্রয়োজনীয় উপাদান রক্ষাসহ উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব। এতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং উৎপাদিত ফসলের মান ভালো হবে।
নুরুল ইসলাম বলেন, কৃষকের মাঝে মাটি পরীক্ষার উৎসাহ বাড়াতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক জমিতে সার, কীটনাশক, পানি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচও কমে আসবে। এ ছাড়া মাটি পরীক্ষা করে জমিতে পরিমাণমতো সুষম সার প্রয়োগ করলে জমির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। উৎপাদন খরচ কমের পাশাপাশি ফলন বাড়বে। এ ছাড়া দেশের খাদ্যঘাটতি মেটাতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন কৃষকের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে মাটি পরীক্ষাগার। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় এই সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে মাটি পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। তাই এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না কৃষকেরা। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে কৃষকদের কাছ থেকে মাটি সংগ্রহ করে পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।
তাঁরা বলছেন, অধিকাংশ কৃষক ফসল অনুযায়ী জমিতে প্রয়োজনীয় মাত্রায় সার ব্যবহার করছেন, কিন্তু মাটি পরীক্ষায় বেশ কিছু সারের অপব্যবহার ধরা পড়ছে। এতে যেমন মাটির স্বাস্থ্যের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, তেমনি মাত্রাতিরিক্ত সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। তাই এ অঞ্চলের কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ মাটি পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়া মাটির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য উপাদান নিশ্চিত করে দেশের কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জানা গেছে, মাটি পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ও মো. নাজিম উদ্দিন।
এ ব্যাপারে মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারে খরিপ মৌসুমে মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে জমিতে প্রয়োজনীয় উপাদান রক্ষাসহ উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব। এতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং উৎপাদিত ফসলের মান ভালো হবে।
নুরুল ইসলাম বলেন, কৃষকের মাঝে মাটি পরীক্ষার উৎসাহ বাড়াতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক জমিতে সার, কীটনাশক, পানি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচও কমে আসবে। এ ছাড়া মাটি পরীক্ষা করে জমিতে পরিমাণমতো সুষম সার প্রয়োগ করলে জমির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। উৎপাদন খরচ কমের পাশাপাশি ফলন বাড়বে। এ ছাড়া দেশের খাদ্যঘাটতি মেটাতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে