বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার কাহালু থেকে একনলা বন্দুক তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। সম্প্রতি এক কৃষকের দুই পায়ে গুলি করার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে অস্ত্র তৈরির এসব সরঞ্জাম পায় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাহালুর কলমা শিবা গ্রামের নিলু চন্দ্র (৪৫) ও তাঁর ছেলে সঞ্জিত চন্দ্র (২২)। তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ (এসপি) কুমার চক্রবর্ত্তী জানান, শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে কাহালুর কলমা শিবা গ্রামে একরাম হোসেন নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় একই এলাকার নিলু চন্দ্র ও তাঁর ছেলে সঞ্জিত চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নিলুর তথ্যমতে তাঁর বাড়ির শৌচাগার সংলগ্ন মাটির নিচ থেকে অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা সরঞ্জামগুলো হলো— একনলা বন্দুক তৈরির ৫টি ব্যারেল, লোহার তৈরি রিকয়েলিং স্প্রিং ৩টি, ফায়ারিং পিন ৬টি, স্টিলের তৈরি বন্দুকের ট্রিগার ৬টি, একনলা বন্দুক তৈরির স্টিলের খাপ ৫টি, বিভিন্ন আকারের লোহার পাত ১৯টি, ব্যারেলের শেষ অংশ (লোহার তৈরি জং ধরা) ১টি, ৩টি লোহার রড, ড্রিল মেশিনে ব্যবহৃত ৪টি লোহার ফোলা, লোহার তৈরি হ্যামার ৬টি, হ্যামারের মাথায় লাগানো দণ্ড ও ৪টি স্টিলের পাত।
গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে কাহালু উপজেলার কলমা শিব গ্রামে গুলিবিদ্ধ হন একরাম। বর্তমানে তিনি বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গুলিবিদ্ধ একরাম (৩০) ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে একরাম বাড়ির পাশে দোকানে সিগারেট কিনতে বের হন। ওই সময় তাঁকে উদ্দেশ করে গুলি ছোড়া হয়। গুলি একরামের দুই পায়ের হাঁটুতে লাগে।
এ ঘটনায় একমাত্র এজাহার নামীয় আসামি একই গ্রামের মৃত আকরাম হোসেনের ছেলে শামিম হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে গুলির কারণ এখনো জানাতে পারেনি পুলিশ।

বগুড়ার কাহালু থেকে একনলা বন্দুক তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। সম্প্রতি এক কৃষকের দুই পায়ে গুলি করার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে অস্ত্র তৈরির এসব সরঞ্জাম পায় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাহালুর কলমা শিবা গ্রামের নিলু চন্দ্র (৪৫) ও তাঁর ছেলে সঞ্জিত চন্দ্র (২২)। তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ (এসপি) কুমার চক্রবর্ত্তী জানান, শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে কাহালুর কলমা শিবা গ্রামে একরাম হোসেন নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় একই এলাকার নিলু চন্দ্র ও তাঁর ছেলে সঞ্জিত চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নিলুর তথ্যমতে তাঁর বাড়ির শৌচাগার সংলগ্ন মাটির নিচ থেকে অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা সরঞ্জামগুলো হলো— একনলা বন্দুক তৈরির ৫টি ব্যারেল, লোহার তৈরি রিকয়েলিং স্প্রিং ৩টি, ফায়ারিং পিন ৬টি, স্টিলের তৈরি বন্দুকের ট্রিগার ৬টি, একনলা বন্দুক তৈরির স্টিলের খাপ ৫টি, বিভিন্ন আকারের লোহার পাত ১৯টি, ব্যারেলের শেষ অংশ (লোহার তৈরি জং ধরা) ১টি, ৩টি লোহার রড, ড্রিল মেশিনে ব্যবহৃত ৪টি লোহার ফোলা, লোহার তৈরি হ্যামার ৬টি, হ্যামারের মাথায় লাগানো দণ্ড ও ৪টি স্টিলের পাত।
গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে কাহালু উপজেলার কলমা শিব গ্রামে গুলিবিদ্ধ হন একরাম। বর্তমানে তিনি বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গুলিবিদ্ধ একরাম (৩০) ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে একরাম বাড়ির পাশে দোকানে সিগারেট কিনতে বের হন। ওই সময় তাঁকে উদ্দেশ করে গুলি ছোড়া হয়। গুলি একরামের দুই পায়ের হাঁটুতে লাগে।
এ ঘটনায় একমাত্র এজাহার নামীয় আসামি একই গ্রামের মৃত আকরাম হোসেনের ছেলে শামিম হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে গুলির কারণ এখনো জানাতে পারেনি পুলিশ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে