বগুড়া প্রতিনিধি

ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীর বাড়ির চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন আসামি ও তাঁর পরিবার। এতে শুধু বাদী নয় পাশের আরও পাঁচটি পরিবার হয়ে পড়েছে অবরুদ্ধ। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় গতকাল রোববার রাতে ওই রাস্তায় এই বেড়া দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, জিয়ারুল সরকার (৪২) ৬ বছর আগে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে (৩০) ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ওই নারী চাচা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলা চলমান থাকা অবস্থায় নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। ওই সন্তানের বয়স ৬ মাস হলে রাতের আঁধারে শিশুকেও চুরি করা হয়। পরদিন সিরাজগঞ্জ থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত জিয়ারুলের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক অপহরণ মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয়রা আরও জানান, মামলা থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবন্ধী ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। তবে জামিন নেওয়ার পর থেকে খোঁজ নেননি দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানের। মামলা থেকে রেহায় পাওয়াসহ ওই স্ত্রীকে তালাক দিতে তিনি প্রস্তাব পাঠান। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিস হয়।
গত রবিবার সন্ধ্যায় একই বিষয়ে ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মোহরানায় ধার্য করা ৩ লাখ টাকা দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেন বাদীর পরিবার। কিন্তু জিয়ারুল তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৈঠক ভেস্তে যায়। পরে ওই রাতেই জিয়ারুল ও তার পরিবারের লোকজন বাদীর পরিবারসহ পাঁচটি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়।
বেড়ার কারণে আটকে পড়া এক ব্যক্তি বলেন, বাড়ির সামনে নদী, পেছনে খাল। বের হওয়ার একটাই রাস্তা সেটাও বন্ধ। বউ-বাচ্চা কেউ বাইরে বের হতে পারছে না।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বলেন, ‘কয়েক দফা ওই ঘটনায় বৈঠক হয়েছে। জিয়ারুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও শিশু অপহরণের মামলা চলমান। মামলাসহ প্রতিবন্ধী ওই তরুণীকে তালাক দেওয়ার বিষয়ে গতকাল রাতে বৈঠক হয়। সেখানে তাঁকে ৩ লাখ টাকা মোহরানা পরিশোধ করে মীমাংসার প্রস্তাব দিলে সে দেড় লাখ টাকা দিতে চায়। এতে বাদীর পরিবার রাজি হননি। পরে রাতে জানতে পারি জিয়ারুল লোকজন নিয়ে বাদীর বাড়ির রাস্তায় বেড়া দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে জানতে জিয়ারুলের বাড়িতে গেলে তাঁর প্রথম স্ত্রী বলেন, জিয়ারুল বাইরে গেছেন। বেড়া দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ভালো বলতে পারবেন।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ চক্রবর্তী বলেন, ‘বেড়া দেওয়ায় বিষয়টি থানায় কেউ জানায়নি। যেহেতু বিষয়টি জানলাম, সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীর বাড়ির চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন আসামি ও তাঁর পরিবার। এতে শুধু বাদী নয় পাশের আরও পাঁচটি পরিবার হয়ে পড়েছে অবরুদ্ধ। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় গতকাল রোববার রাতে ওই রাস্তায় এই বেড়া দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, জিয়ারুল সরকার (৪২) ৬ বছর আগে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে (৩০) ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ওই নারী চাচা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলা চলমান থাকা অবস্থায় নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। ওই সন্তানের বয়স ৬ মাস হলে রাতের আঁধারে শিশুকেও চুরি করা হয়। পরদিন সিরাজগঞ্জ থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত জিয়ারুলের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক অপহরণ মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয়রা আরও জানান, মামলা থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবন্ধী ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। তবে জামিন নেওয়ার পর থেকে খোঁজ নেননি দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানের। মামলা থেকে রেহায় পাওয়াসহ ওই স্ত্রীকে তালাক দিতে তিনি প্রস্তাব পাঠান। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিস হয়।
গত রবিবার সন্ধ্যায় একই বিষয়ে ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মোহরানায় ধার্য করা ৩ লাখ টাকা দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেন বাদীর পরিবার। কিন্তু জিয়ারুল তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৈঠক ভেস্তে যায়। পরে ওই রাতেই জিয়ারুল ও তার পরিবারের লোকজন বাদীর পরিবারসহ পাঁচটি পরিবারের চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়।
বেড়ার কারণে আটকে পড়া এক ব্যক্তি বলেন, বাড়ির সামনে নদী, পেছনে খাল। বের হওয়ার একটাই রাস্তা সেটাও বন্ধ। বউ-বাচ্চা কেউ বাইরে বের হতে পারছে না।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বলেন, ‘কয়েক দফা ওই ঘটনায় বৈঠক হয়েছে। জিয়ারুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও শিশু অপহরণের মামলা চলমান। মামলাসহ প্রতিবন্ধী ওই তরুণীকে তালাক দেওয়ার বিষয়ে গতকাল রাতে বৈঠক হয়। সেখানে তাঁকে ৩ লাখ টাকা মোহরানা পরিশোধ করে মীমাংসার প্রস্তাব দিলে সে দেড় লাখ টাকা দিতে চায়। এতে বাদীর পরিবার রাজি হননি। পরে রাতে জানতে পারি জিয়ারুল লোকজন নিয়ে বাদীর বাড়ির রাস্তায় বেড়া দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে জানতে জিয়ারুলের বাড়িতে গেলে তাঁর প্রথম স্ত্রী বলেন, জিয়ারুল বাইরে গেছেন। বেড়া দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ভালো বলতে পারবেন।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ চক্রবর্তী বলেন, ‘বেড়া দেওয়ায় বিষয়টি থানায় কেউ জানায়নি। যেহেতু বিষয়টি জানলাম, সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে