বগুড়া প্রতিনিধি

সদ্য ঘোষিত বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের শহীদ খোকন পার্কের শহীদ মিনারে তাঁরা অনশন শুরু করেন।
পদবঞ্চিতদের অভিযোগ, কী কারণে তাঁদের নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তাঁরা জানিয়েছেন, উপযুক্ত কারণ না জানা পর্যন্ত এই আমরণ অনশন চলবে।
এর আগে কেন্দ্র থেকে গতকাল বুধবার রাতে ১৬১ সদস্যের বগুড়া জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৯৩ সদস্যের শহর ছাত্রদল কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া জেলার সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসাসহ মোট ৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক কমিটিও প্রকাশ করা হয়।
যদিও অন্যান্য ৬৮টি শাখা কমিটি নিয়ে আপত্তি না থাকলেও জেলা কমিটি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পদবঞ্চিতরা। তাঁদের দাবি, সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক নেতা-কর্মী, এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাদের সন্তানদেরও জায়গা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পদবঞ্চিত নেতা নাসিরুদ্দিন মামুন বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে ছাত্রদলের রাজনীতি করছি। সামনে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। অথচ আজ আমাদের মূল্যায়ন করা হলো না। কেন আমাদের বাদ দেওয়া হলো, তা না জানা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাব।’
আরেক পদবঞ্চিত নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘নতুন কমিটিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্থান দেওয়া হয়েছে। যারা বিএনপির রাজনীতি করেন, তাঁরাই আজ বঞ্চিত। এর প্রমাণও আমাদের কাছে রয়েছে।’
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান। তিনি বলেন, ‘যারা অনশনে বসেছেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন না। এমনকি তাঁরা ছাত্রদলে থাকবেন, না কি যুবদলে যাবেন, সে বিষয়েও তাঁরা কোনো স্পষ্ট অবস্থান জানাননি।’

সদ্য ঘোষিত বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের শহীদ খোকন পার্কের শহীদ মিনারে তাঁরা অনশন শুরু করেন।
পদবঞ্চিতদের অভিযোগ, কী কারণে তাঁদের নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তাঁরা জানিয়েছেন, উপযুক্ত কারণ না জানা পর্যন্ত এই আমরণ অনশন চলবে।
এর আগে কেন্দ্র থেকে গতকাল বুধবার রাতে ১৬১ সদস্যের বগুড়া জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৯৩ সদস্যের শহর ছাত্রদল কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া জেলার সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসাসহ মোট ৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক কমিটিও প্রকাশ করা হয়।
যদিও অন্যান্য ৬৮টি শাখা কমিটি নিয়ে আপত্তি না থাকলেও জেলা কমিটি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পদবঞ্চিতরা। তাঁদের দাবি, সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক নেতা-কর্মী, এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাদের সন্তানদেরও জায়গা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পদবঞ্চিত নেতা নাসিরুদ্দিন মামুন বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে ছাত্রদলের রাজনীতি করছি। সামনে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। অথচ আজ আমাদের মূল্যায়ন করা হলো না। কেন আমাদের বাদ দেওয়া হলো, তা না জানা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাব।’
আরেক পদবঞ্চিত নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘নতুন কমিটিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্থান দেওয়া হয়েছে। যারা বিএনপির রাজনীতি করেন, তাঁরাই আজ বঞ্চিত। এর প্রমাণও আমাদের কাছে রয়েছে।’
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান। তিনি বলেন, ‘যারা অনশনে বসেছেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন না। এমনকি তাঁরা ছাত্রদলে থাকবেন, না কি যুবদলে যাবেন, সে বিষয়েও তাঁরা কোনো স্পষ্ট অবস্থান জানাননি।’

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
৩ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
৯ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
২৬ মিনিট আগে