আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলীতে মামলা তুলে না নিলে আশরাফ আলী মৃধা নামের এক ব্যক্তিকে অ্যাসিড নিক্ষেপের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওদুদ মৃধা ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার দুপুরে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন আশরাফ মৃধা।
বর্তমানে ওদুদ মৃধার ভয়ে আশরাফ মৃধার পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত ওদুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আশরাফ মৃধা ও তাঁর পরিবার।
লিখিত বক্তব্যে আশরাফ মৃধা বলেন, ‘উপজেলার মহিষকাটা কলেজ রোড সড়কের পাশে খাসজমিতে গত ২৮ বছর ধরে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। ওই জমি সন্ত্রাসী ওদুদ মৃধা নিজের দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ও আমার পরিবারকে নির্যাতন করে আসছে। গত শুক্রবার ওদুদ মৃধা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী ওই জমি দখলে করতে যায়। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে দখল নিতে পারেনি।’
আশরাফ মৃধা আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি গত শনিবার আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। এতে ক্ষুব্ধ হয় সন্ত্রাসী ওদুদ ও তাঁর বাহিনী। ওই দিন রাতে ওদুদ মৃধা ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে মামলা ও সাধারণ ডায়েরি তুলে নিতে হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে আমাকে ও আমার পরিবারকে অ্যাসিড মেরে ঝলসে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। তাঁর ভয়ে আমি ও আমার পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর ৭ সেপ্টেম্বর ওদুদ ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে আমাকেসহ চারজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। ওই ঘটনায় আমি থানায় মামলা করি। ওই মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে ওদুদ।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশরাফ মৃধার স্ত্রী আসমা বেগম, হাসান মৃধা ও নাসির মৃধা।
এ বিষয়ে ওদুদ মৃধা বলেন, ‘ওই জমি আমার। আশরাফ মৃধা আমাকে জমির দখল দেয় না।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু সাধারণ ডায়েরির কথা স্বীকার করে বলেছেন, ‘অ্যাসিড মেরে ঝলসে দেওয়ার হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বরগুনার আমতলীতে মামলা তুলে না নিলে আশরাফ আলী মৃধা নামের এক ব্যক্তিকে অ্যাসিড নিক্ষেপের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওদুদ মৃধা ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার দুপুরে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন আশরাফ মৃধা।
বর্তমানে ওদুদ মৃধার ভয়ে আশরাফ মৃধার পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত ওদুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আশরাফ মৃধা ও তাঁর পরিবার।
লিখিত বক্তব্যে আশরাফ মৃধা বলেন, ‘উপজেলার মহিষকাটা কলেজ রোড সড়কের পাশে খাসজমিতে গত ২৮ বছর ধরে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। ওই জমি সন্ত্রাসী ওদুদ মৃধা নিজের দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ও আমার পরিবারকে নির্যাতন করে আসছে। গত শুক্রবার ওদুদ মৃধা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী ওই জমি দখলে করতে যায়। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে দখল নিতে পারেনি।’
আশরাফ মৃধা আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি গত শনিবার আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। এতে ক্ষুব্ধ হয় সন্ত্রাসী ওদুদ ও তাঁর বাহিনী। ওই দিন রাতে ওদুদ মৃধা ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে মামলা ও সাধারণ ডায়েরি তুলে নিতে হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে আমাকে ও আমার পরিবারকে অ্যাসিড মেরে ঝলসে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। তাঁর ভয়ে আমি ও আমার পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর ৭ সেপ্টেম্বর ওদুদ ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে আমাকেসহ চারজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। ওই ঘটনায় আমি থানায় মামলা করি। ওই মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে ওদুদ।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশরাফ মৃধার স্ত্রী আসমা বেগম, হাসান মৃধা ও নাসির মৃধা।
এ বিষয়ে ওদুদ মৃধা বলেন, ‘ওই জমি আমার। আশরাফ মৃধা আমাকে জমির দখল দেয় না।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু সাধারণ ডায়েরির কথা স্বীকার করে বলেছেন, ‘অ্যাসিড মেরে ঝলসে দেওয়ার হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে