Ajker Patrika

বিয়েবাড়িতে চেয়ারে বসা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ

মাদারীপুর প্রতিনিধি
বিয়েবাড়িতে চেয়ারে বসা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
সংঘর্ষের পর রাস্তাজুড়ে ভাঙা ইটের টুকরো পড়ে আছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মাদারীপুরে বিয়েবাড়িতে চেয়ারে বসা নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডায় জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। পৌর শহরের থানতলী এলাকায় গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত স্থানীয় আকিব ও মঈন গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ভোররাতে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। এসব সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত ৫টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার দুপুরে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে পাকদী এলাকার শাহজাহানের ছেলে ইতালি প্রবাসী মামুনের বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে থানতলী এলাকার ফজল খাঁর ছেলে আকিব খাঁ এবং পাকদী এলাকার দবির মুন্সির ছেলে মঈন মুন্সির মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

পরে উপস্থিত অতিথিরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে এই কলহের জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় আকিব ও মঈন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। দ্বিতীয় দফায় রাত ৯টার দিকে আবারও উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ ভোররাতে ফের সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এসময় পাকদী এলাকার প্রায় ১৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এতে আহত হন ৫ জন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয় আকিব ও মঈন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে সাধারণ মানুষই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাছাড়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শিশুসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েনর পর উভয়পক্ষের লোকজন পালিয়েছে। তাই কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত